ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনার সঙ্গে পালানোর ফ্লাইট কীভাবে মিস করেছিলেন সালমান এফ রহমান অস্ত্র-সংকট সম্পর্কে জানতেন না ট্রাম্প, হেগসেথের সঙ্গে বাগ্‌যুদ্ধে জড়ান প্রেসিডেন্ট নদীদূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী ড. জাফর ইকবাল, ঢাবির সাবেক ভিসির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে আরও বেশি ডিজেল চেয়েছি: জ্বালানিমন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে লংমার্চের ঘোষণা ১১-দলীয় ঐক্যের বিএনপির সভায় আওয়ামী লীগ নেতার ফুলেল শুভেচ্ছা, কয়েক লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ প্রথম দিনেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ভিড়, শেষ ৯০০ টিকিট আবারও বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড, চলছে ৯ দিন ধরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে পাঁচ দিনে রেলের ক্ষতি প্রায় ১ কোটি টাকা

সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল। এতে শুধু যাত্রীদের
  • আপলোড সময় : ২০ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১:৫১ সময়
  • আপডেট সময় : ২০ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১:৫১ সময়
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে পাঁচ দিনে রেলের ক্ষতি প্রায় ১ কোটি টাকা

সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল। এতে শুধু যাত্রীদের ভোগান্তিই নয়, বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় বাতিল হওয়া টিকিটের বিপরীতে যাত্রীদের প্রায় ৮৮ লাখ টাকা ফেরত দিতে হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষকে।


রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারী বর্ষণের কারণে ৭ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে সব ধরনের ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়। এ সময়ে আগে থেকেই বিক্রি হওয়া ১১ হাজার ৩৩৭টি টিকিট বাতিল করতে হয়। এসব টিকিটের বিপরীতে যাত্রীদের মোট ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার ৩৪৪ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি আরেকটি বড় ক্ষতির মুখে পড়ে রেলওয়ে। ট্রেন বন্ধ থাকায় ওই সময় নতুন করে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ফলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার পরও কয়েক দিন প্রত্যাশিত সংখ্যক যাত্রী পাওয়া যায়নি। অনেক ভ্রমণকারী কক্সবাজার সফর বাতিল করায় দেশের অন্যান্য দূরপাল্লার ট্রেনেও যাত্রীর সংখ্যা কমে যায়।


চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, সাধারণ অবস্থায় রেললাইনের ওপর চার ইঞ্চি পর্যন্ত পানি থাকলেও ট্রেন চলাচল সম্ভব। কিন্তু এবার অন্তত দুই ফুট পানি রেললাইন ঢেকে ফেলেছিল। টানা তিন দিন রেললাইন পানির নিচে থাকায় পানি সরে যাওয়ার পরও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো লাইন বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করা হয়। সব ধরনের নিরাপত্তা যাচাই শেষে ১২ জুলাই থেকে সীমিত গতিতে বা অ্যাডভান্সড পাইলটিং পদ্ধতিতে আবার ট্রেন চলাচল শুরু হয়।


রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রেন বন্ধ থাকার পাঁচ দিনের মধ্যে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন থাকায় পরিচালনাগত ক্ষতি কিছুটা কম হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টেকসই রেল অবকাঠামো নির্মাণ এবং কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বলেন, অতিবৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন দুই ফুট পানির নিচে চলে গেলেও রেল অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ সময় ঢাকা–কক্সবাজার রুটের দুই জোড়া ট্রেন শুধু ঢাকা–চট্টগ্রাম পথে চলাচল করেছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান

শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান