ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে ‘জিরো টলারেন্স’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই যন্তর মন্তর বিক্ষোভের স্থান নয়: ৩টি নতুন স্থান নির্ধারণ করল দিল্লি পুলিশ হেলথ কার্ড সংগ্রহে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নতুন নির্দেশনা ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের বট অ্যাকাউন্ট থেকে গালাগাল করা হচ্ছে: আসিফ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা শাহজালালে আচারের বয়ামে মিললো হীরা, সোনা, প্লাটিনাম ও রুবি আন্দোলনকারীদের দেশবিরোধী আখ্যা কঙ্গনার, দেখছেন অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বিটিআরসি কর্মকর্তার জবানবন্দিতে ইন্টারনেট বন্ধের নেপথ্য কাহিনী নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ, দেশে থেকে জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন

‘ঝিন্দের বন্দী’র রিমেক, উত্তম-সৌমিত্রের ভূমিকায় যিশু-অনির্বাণ!

সালটা ১৯৬১, সে বছরই মুক্তি পায় তপন সিনহা পরিচালিত ‘ঝিন্দের বন্দী’। সেই সিনেমায় একফ্রেমে দেখা যায় বাংলা ফিল্ম
  • আপলোড সময় : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ১২:৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ১২:৭ সময়
‘ঝিন্দের বন্দী’র রিমেক, উত্তম-সৌমিত্রের ভূমিকায় যিশু-অনির্বাণ! ছবি : সংগৃহীত
সালটা ১৯৬১, সে বছরই মুক্তি পায় তপন সিনহা পরিচালিত ‘ঝিন্দের বন্দী’। সেই সিনেমায় একফ্রেমে দেখা যায় বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির দুই কিংবদন্তিকে।

একজন উত্তম কুমার, অপরজন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। আর তাই এ সিনেমার প্রসঙ্গ উঠলে বাঙালি দর্শক নস্টালজিক হবে, সেটাই স্বাভাবিক।  

বেশ কিছুদিন আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল এ সিনেমার রিমেক হওয়ার কথা। শোনা গিয়েছিল, এ সিনেমার পরিচালক নাকি অরিন্দম শীল। যদিও আগে এ খবর হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার কাছে স্বীকার করেননি পরিচালক। তবে ফের শোনা যাচ্ছে, 'ঝিন্দের বন্দী'র রিমেকের খবর।

শোনা যাচ্ছে, শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের (এসভিএফ) প্রযোজনাতেই নাকি তৈরি হবে এ সিনেমা। সূত্র বলছে, এ সিনেমার প্রযোজনায় এসভিএফের সঙ্গে হাত মেলাতে পারে ক্যামেলিয়া প্রোডাকশন। আর গত এক বছর ধরে এই ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন অরিজিৎ বিশ্বাস। যেখানে অভিনয় করবেন অনিবার্ণ ভট্টাচার্য ও যিশু সেনগুপ্ত। তবে ঠিক কে কোন চরিত্রে, বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। সময় এলেই বাকিটা প্রকাশ্যে আসবে।  

কয়েকবছর আগে প্রযোজক রানা সরকার ‘ঝিন্দের বন্দী’ রিমেক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সে সময় ছবির পরিচালক হিসাবে অঞ্জন দত্ত ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নাম উঠে এসেছিল। যদিও পরে সে সিনেমার কাজই শুরু হয়নি।

১৮৯৪ সালের অ্যান্টনি হোপের ‘দ্য প্রিজনার অব জেন্ডা’ উপন্যাস থেকে গৃহীত হয়েছিল তপন সিনহা পরিচালিত ‘ঝিন্দের বন্দী’ সিনেমার মূল প্রেক্ষাপট।  

তপন সিনহার সিনেমায় গৌরী শঙ্কর রায়ের চরিত্রে উত্তম কুমার এবং উদিত সিংয়ের বন্ধু ময়ূরবাহনের চরিত্রে অভিনয় করেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। আর রানি কস্তুরী বাইয়ের ভূমিকায় ছিলেন অরুন্ধতী দেবী।  
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার