ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

বাংলাদেশে আরব বসন্তের কোনো সম্ভাবনা নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশে আরব বসন্তের সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশে আরব বসন্ত নিয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্র
  • আপলোড সময় : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:৩৩ সময়
  • আপডেট সময় : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:৩৩ সময়
বাংলাদেশে আরব বসন্তের কোনো সম্ভাবনা নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছবি : সংগৃহীত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশে আরব বসন্তের সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশে আরব বসন্ত নিয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভার বক্তব্য নাকচ করে তিনি এ কথা বলেন।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘৫২ বছরে বাংলাদেশের অর্জন’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরব বসন্তের বিষয়টি নাকচ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো সুযোগ বাংলাদেশে নেই। 

বাংলাদেশ ইস্যুতে মস্কোর মুখপাত্রের বক্তব্যের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, রাশিয়া কি বলেছে, এটা আমাদের ইস্যু না। এটা ওদের জিজ্ঞেস করেন। অনেকে অনেক ধরনের কথা বলবে কিন্তু আমরা এটা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। আমরা সার্বভৌম, আমাদের ভারসাম্য পররাষ্ট্রনীতি।

সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’-এটার প্রেক্ষিতে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি। কে কি বলল না বলল, এটা তাদের মাথাব্যথা। আমরা পরাশক্তিগুলোর টানাটানিতে পা দিতে চাই না। আমাদের ভারসাম্য কূটনীতি নিয়ে আমরা চলতে চাই।’ বক্তব্যে যোগ করেন মোমেন।

আরব বসন্তের সম্ভাবনা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার তো মনে হয় না। এ ধরনের কোনো সুযোগ নাই। আমরা একটা গণতান্ত্রিক দেশ। শেখ হাসিনার কারণে আমাদের দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত আছে। আর আমরা ৭ জানুয়ারি নির্বাচন করব। আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেটা করব। আমরা খুব ভালোভাবে চলছি।

মোমেন বলেন, আমাদের যে উন্নয়ন হয়েছে, এটা সম্ভব হয়েছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কারণে। আমরা আমাদের লক্ষ্য নিয়ে সামনে যেতে চাই। অন্য কিছু আমাদের দরকার নাই। আমরা একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাই।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কামারখন্দে এক বছর ধরে নেই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

কামারখন্দে এক বছর ধরে নেই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা