ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ-স্লোগান নিষিদ্ধ করতে চান স্টারমার

যুক্তরাজ্যে জননিরাপত্তা রক্ষা এবং ইহুদিবিদ্বেষী ঘটনা প্রতিরোধে ফিলিস্তিনপন্থি কিছু বিক্ষোভ মিছিল নিষিদ্ধ করা যুক্তিসঙ্গত হতে পারে বলে মন্তব্য
  • আপলোড সময় : ২ মে ২০২৬, দুপুর ৩:২৬ সময়
  • আপডেট সময় : ২ মে ২০২৬, দুপুর ৩:২৬ সময়
যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ-স্লোগান নিষিদ্ধ করতে চান স্টারমার

যুক্তরাজ্যে জননিরাপত্তা রক্ষা এবং ইহুদিবিদ্বেষী ঘটনা প্রতিরোধে ফিলিস্তিনপন্থি কিছু বিক্ষোভ মিছিল নিষিদ্ধ করা যুক্তিসঙ্গত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারকে তিনি সমর্থন করেন, তবে কিছু বিক্ষোভে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট স্লোগান সম্পূর্ণভাবে গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ ধরনের ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।


স্টারমার জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় কিছু মিছিল পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও বিবেচনায় আনা হতে পারে। বিশেষ করে লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায়, যেখানে বড় একটি ইহুদি সম্প্রদায় বসবাস করে, সেখানে সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের পদক্ষেপের আলোচনা সামনে আসে। তিনি আরও বলেন, বিক্ষোভ চলাকালে ব্যবহৃত ভাষার ওপর নজরদারি আরও জোরদার করা হবে এবং বিদ্বেষমূলক বা উসকানিমূলক বক্তব্য কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। প্রতিবাদের নামে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতিগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে ভয় বা আতঙ্ক সৃষ্টি করা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


এদিকে গোল্ডার্স গ্রিনসহ সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই অবস্থানকে মানবাধিকারকর্মী ও বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ সমালোচনা করে বলছে, এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হতে পারে। অন্যদিকে ব্রিটিশ সরকার বলছে, ইহুদিবিদ্বেষ বা যেকোনো ধরনের বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গত কয়েক সপ্তাহে গাজা পরিস্থিতি ঘিরে লন্ডনে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে, যেগুলোর কিছু অংশ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেও রূপ নেয়।


সরকার আরও জানিয়েছে, জনজীবন স্বাভাবিক রাখা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনে বিক্ষোভের রুট পরিবর্তন বা সময়সীমা কমানোর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এতে ভবিষ্যতে লন্ডনের বিক্ষোভ কর্মসূচির ধরন পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের এই অবস্থানকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে গাজা ইস্যুতে বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনপন্থি জনমত বাড়ার সময় এমন সিদ্ধান্ত নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে।


বিক্ষোভকারীদের একাংশ এখন বিকল্প উপায়ে দাবি জানানো নিয়ে ভাবছে। একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন কোনো আইনি কাঠামো তৈরি করবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।


তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই


  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
লিমন ও বৃষ্টি নিখোঁজ হওয়ার দিন কী ঘটেছিল, কী করেছিল খুনি হিশাম

লিমন ও বৃষ্টি নিখোঁজ হওয়ার দিন কী ঘটেছিল, কী করেছিল খুনি হিশাম