ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সরকারকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান বিরোধীদলের স্ত্রী পাল্টাতে পারবেন, কিন্তু প্রতিবেশীকে পাল্টাতে পারবেন না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩ মাসের শিশুর পা ভাঙার ভিডিওটি এআই দিয়ে বানানো, জানাল পুলিশ ও পরিবার ২০ বছরের অলিখিত নিষেধাজ্ঞার পর কলকাতার আমন্ত্রণেই প্রত্যাবর্তন তসলিমা নাসরিনের আগুন লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মার্কিন শয়তানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি আদমজী ইপিজেডের কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ পাঁচ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা মোসাদের সহায়তায় ক্ষমতায় ফেরার অভিযোগ নাকচ করলেন আহমাদিনেজাদ ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

বড় ধাক্কা শেয়ারবাজারে, লেনদেন নামল হাজার কোটির নিচে

দেশের শেয়ার বাজারে টানা ঊর্ধ্বগতির পর বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। গতকাল সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক
  • আপলোড সময় : ২৩ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৭ সময়
বড় ধাক্কা শেয়ারবাজারে, লেনদেন নামল হাজার কোটির নিচে

দেশের শেয়ার বাজারে টানা ঊর্ধ্বগতির পর বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। গতকাল সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স একদিনেই ৮৫ পয়েন্ট কমে গেছে। এর ফলে চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবসেই সূচকে পতন দেখা গেল। একই দিনে লেনদেনের পরিমাণও কমে হাজার কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। টানা ১৪ কার্যদিবস পর ডিএসইতে লেনদেন আবারও হাজার কোটি টাকার নিচে নামলো। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শেয়ারের দর বাড়ার পর বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেওয়ায় বাজারে বিক্রির চাপ বেড়ে যায়। এতে ভালো-মন্দ সব ধরনের শেয়ারে ঢালাও দরপতন দেখা দেয়।


ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেছেন, বাজারে বড় পতনের পেছনে স্পষ্ট কোনো কারণ নেই। সম্প্রতি ডিএসই ঝুঁকিপূর্ণ কিছু কোম্পানির তালিকা প্রকাশ করায় তার কিছু প্রভাব থাকতে পারে, তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তাঁর মতে, বিনিয়োগকারীদের ভালো কোম্পানি বেছে নিয়ে জেনে-বুঝে বিনিয়োগ করা উচিত এবং বাজারকে বড় করতে হলে নতুন ভালো কোম্পানি ও বন্ড বাজারে আনা জরুরি।


ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, এটি একটি স্বাভাবিক সংশোধন। দীর্ঘ সময় বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর এমন দরপতন প্রত্যাশিতই ছিল। বাজারে দেখা যায়, লেনদেনের শুরুতে সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ১০ মিনিটের মধ্যেই অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমতে শুরু করে এবং শেষ দেড় ঘণ্টায় ব্যাপক বিক্রির চাপে পুরো বাজারে পতন তীব্র হয়। দিন শেষে ডিএসইতে মাত্র ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ৩১৯টির। ‘এ’ ক্যাটাগরির ভালো কোম্পানিগুলোর মধ্যেও বেশিরভাগের দরপতন হয়েছে।


ডিএসইএক্স সূচক ৮৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৫৪ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৯ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩৫ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেনও কমে দাঁড়িয়েছে ৮৭৬ কোটি ৬ লাখ টাকায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১২৬ কোটি টাকা কম। প্রায় দুই সপ্তাহ পর ডিএসইতে লেনদেন আবারও হাজার কোটি টাকার নিচে নেমে আসে। লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, এরপর সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট এবং ন্যাশনাল ফিড মিলসসহ শীর্ষ কোম্পানিগুলো।


চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই দিনে বড় দরপতন হয়েছে, যেখানে সার্বিক সূচক ১৬৭ পয়েন্ট কমেছে। তবে সিএসইতে লেনদেন কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ কোটি ৪২ লাখ টাকায়। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাজারের স্বাভাবিক কারেকশন হলেও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক ও পরিকল্পিত বিনিয়োগই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার পরিবারের কেউ বাংলাদেশি হয়ে উঠতে পারেনি: সারজিস আলম

শেখ হাসিনার পরিবারের কেউ বাংলাদেশি হয়ে উঠতে পারেনি: সারজিস আলম