ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম ফেসবুক ভিডিওতে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন যুবদলের ব্যানার উড়ে গিয়ে পড়ল আসামে, চিন্তায় ভারত পুলিশ ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে রণক্ষেত্র মিরপুর-১০, পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হতাশাজনক হারে ফাইনাল খেলা নিয়ে শঙ্কা স্ত্রীকে না জানিয়ে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করা কি জায়েজ সরকার ক্রসফায়ার দেওয়া শুরু করলে, নিজের দলের একটা লোককেও খুঁজে পাবে না: হাসনাত মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন এবার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করার আগ্রহ ট্রাম্পের জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিটি করপোরেশনের জমিতে ৪০০ অবৈধ দোকান

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জমিতে গড়ে ওঠা নতুন কাঁচা বাজার কৃষি মার্কেটকে ঘিরে অবৈধ দখল,
  • আপলোড সময় : ১৬ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৩০ সময়
  • আপডেট সময় : ১৬ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৩০ সময়
সিটি করপোরেশনের জমিতে ৪০০ অবৈধ দোকান

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জমিতে গড়ে ওঠা নতুন কাঁচা বাজার কৃষি মার্কেটকে ঘিরে অবৈধ দখল, দোকান বিক্রি ও বিপুল রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। অনুমোদন ছাড়া নির্মিত দ্বিতল পাকা ভবনে শত শত দোকান বিক্রি করে একটি চক্র কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা গেছে। খবরটি প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক ইত্তেফাক-এ।


স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে আগুনে কৃষি মার্কেট পুড়ে যাওয়ার পর অস্থায়ীভাবে ব্যবসায়ীদের দোকান বসানোর সুযোগ দেয় ডিএনসিসি। তবে সেই অস্থায়ী ব্যবস্থাকেই কাজে লাগিয়ে পরে সেখানে অবৈধভাবে স্থায়ী পাকা স্থাপনা গড়ে ওঠে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, বর্তমানে দুটি ব্লকে দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এর নিচতলায় শতাধিক দোকান চালু রয়েছে, যেখানে কসমেটিকস, জুয়েলারি, কাপড়, ব্যাগ ও মুদি পণ্যের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা চলছে। দোতলার নির্মাণকাজ চলমান থাকলেও কিছু অংশে দোকান বসানোর প্রস্তুতি চলছে।


অভিযোগ রয়েছে, সিটি করপোরেশনের অনুমোদন ছাড়াই গড়ে ওঠা এসব দোকান ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। প্রায় ৪০০ দোকান থাকা এই মার্কেট থেকে ডিএনসিসি কোনো ধরনের রাজস্ব আদায় করতে পারছে না, ফলে শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট মার্কেট নির্মাণ সেল জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী কোনো মার্কেট নির্মাণের আগে সমীক্ষা, নকশা ও বরাদ্দ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। তবে কৃষি মার্কেটের ক্ষেত্রে এসব কোনো প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হয়নি বলে দাবি তাদের।


২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর অগ্নিকাণ্ডে আগের কৃষি মার্কেটটি পুড়ে গেলে সেখানে অস্থায়ী দোকান স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি সিন্ডিকেট অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণ ও দোকান বিক্রির সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, ডিএনসিসির কিছু কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় এই অবৈধ কাঠামো গড়ে ওঠে। অভিযোগে আরও উঠে আসে, সাবেক এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নিয়ন্ত্রণে দোকান দখল ও বিক্রির কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যিনি পরে এসব দোকান উচ্চ দামে বিক্রি করেছেন বলেও জানা যায়।


এ বিষয়ে কৃষি মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক জানান, এখনো এই মার্কেটের কোনো বৈধতা দেয়নি সিটি করপোরেশন। অন্যদিকে ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশনের কোনো অনুমোদন ছাড়াই জোরপূর্বক এই মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে এবং এতে সংস্থাটি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অবৈধ দখল, দোকান বিক্রি ও রাজস্ব হারানোর ঘটনায় তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রোজার আগেই সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব

রোজার আগেই সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব