ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের, বাস্তবে কি সম্ভব? নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না সেই ‘পুরোনো শত্রু’ মাদক পরীক্ষায় একের পর এক ধরা পড়ছেন ভারতীয় পাইলট সৌরবিদ্যুতে ব্যাটারি চার্জ হলে রেজিস্ট্রেশন পাবে রিকশা: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবার আসামি হচ্ছেন ৩ সাংবাদিক বাংলাদেশের কাছে হারের পর বড় শাস্তির শঙ্কায় অস্ট্রেলিয়া সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার সৌদির এক বছরের ওমরাহ ভিসা, তবুও প্রতিবার পূরণ করতে হবে বিশেষ শর্ত বাংলাদেশের মাটিতে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করতে চাই: ফয়জুল করীম

হাম নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে জুনে

দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। আক্রান্তের পাশাপাশি শিশু মৃত্যুর সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
  • আপলোড সময় : ১৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:৩৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:৩৮ সময়
হাম নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে জুনে

দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। আক্রান্তের পাশাপাশি শিশু মৃত্যুর সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ সারা দেশে হামে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে চারজন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৯২ জন এবং নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১১ জন।


অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশে মোট হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ৬১১ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ৭ হাজার ৪১৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৪০ হাজার ১৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৩৬ হাজার ৫৫ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। এ পর্যন্ত মোট ৪৫১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭৪ জন নিশ্চিত হামে মারা গেছে এবং বাকি ৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।


প্রভাত চন্দ্র সরকার জানান, আগামী জুনের শুরু থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তিনি বলেন, “হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যুর বড় কারণ নিউমোনিয়া।” তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি চালু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, টিকা নেওয়ার তিন থেকে চার সপ্তাহ পর শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। যেসব জেলা ও উপজেলায় প্রথমে টিকাদান শুরু হয়েছিল, সেখানে বর্তমানে সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।


মাহমুদুর রহমান বলেন, অপুষ্টিতে ভোগা শিশুরাই বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ভিটামিন-এ ঘাটতি ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে অনেক শিশু জটিল অবস্থায় পড়ছে। তাই সময়মতো টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মোসতাক হোসেন বলেন, বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেশি এবং তাদের বড় অংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। অনেক শিশুর আইসিইউ প্রয়োজন হলেও সরকারি হাসপাতালে সেই সক্ষমতা সীমিত। তিনি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ ব্যবস্থাপনাকে সরকারি তত্ত্বাবধানে ব্যবহারের পরামর্শ দেন।


শিশু বিশেষজ্ঞ শফি আহমেদ মোয়াজ সতর্ক করে বলেন, সামনে ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তার মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যদিকে ঢাকা শিশু হাসপাতাল–এর পরিচালক মাহবুবুল হক জানান, হামের পর নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে বেশি। তবে টিকাদান কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব সামনে দেখা যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বর বা হাম উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে জরুরি।দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। আক্রান্তের পাশাপাশি শিশু মৃত্যুর সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ সারা দেশে হামে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে চারজন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৯২ জন এবং নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১১ জন।


অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশে মোট হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ৬১১ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ৭ হাজার ৪১৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৪০ হাজার ১৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৩৬ হাজার ৫৫ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। এ পর্যন্ত মোট ৪৫১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭৪ জন নিশ্চিত হামে মারা গেছে এবং বাকি ৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।


প্রভাত চন্দ্র সরকার জানান, আগামী জুনের শুরু থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তিনি বলেন, “হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যুর বড় কারণ নিউমোনিয়া।” তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি চালু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, টিকা নেওয়ার তিন থেকে চার সপ্তাহ পর শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। যেসব জেলা ও উপজেলায় প্রথমে টিকাদান শুরু হয়েছিল, সেখানে বর্তমানে সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।


মাহমুদুর রহমান বলেন, অপুষ্টিতে ভোগা শিশুরাই বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ভিটামিন-এ ঘাটতি ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে অনেক শিশু জটিল অবস্থায় পড়ছে। তাই সময়মতো টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মোসতাক হোসেন বলেন, বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেশি এবং তাদের বড় অংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। অনেক শিশুর আইসিইউ প্রয়োজন হলেও সরকারি হাসপাতালে সেই সক্ষমতা সীমিত। তিনি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ ব্যবস্থাপনাকে সরকারি তত্ত্বাবধানে ব্যবহারের পরামর্শ দেন।


শিশু বিশেষজ্ঞ শফি আহমেদ মোয়াজ সতর্ক করে বলেন, সামনে ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তার মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যদিকে ঢাকা শিশু হাসপাতাল–এর পরিচালক মাহবুবুল হক জানান, হামের পর নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে বেশি। তবে টিকাদান কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব সামনে দেখা যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বর বা হাম উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে জরুরি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ডাক্তার থেকে দূরে থাকতে প্রতিদিন এক কাপ ‘গ্রিন টি’

ডাক্তার থেকে দূরে থাকতে প্রতিদিন এক কাপ ‘গ্রিন টি’