ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান অবশেষে বিয়ে করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো শেখ হাসিনা ফিরলে পূর্ণ নিরাপত্তা পাবেন: তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ পাঁচ সরকারি দপ্তরে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের নির্দেশ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনা বাড়ছে মাধ্যমিকের পাঠদানে গণিতে ৮৭ ও ইংরেজিতে ৮৪ শতাংশ শিক্ষক ভিন্ন বিষয়ে ডিগ্রিধারী ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম, ভ্যাপসা গরমে বাড়তে পারে অস্বস্তি হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হামলা, জাহাজ অচল সাভারে একটি বাড়ি থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য আটক, বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের দিকে ছুটছে জ্বালানি তেলের দাম

কিশোরগঞ্জের চার উপজেলায় পানির নিচে আরও ১ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জে নতুন করে আরও ১ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধানের জমি পানিতে তলিয়ে
  • আপলোড সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫২ সময়
  • আপডেট সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫২ সময়
কিশোরগঞ্জের চার উপজেলায় পানির নিচে আরও ১ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জে নতুন করে আরও ১ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধানের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ হাজার ৫০ হেক্টরে। চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন জেলার প্রায় ৩৬ হাজার কৃষক। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানিয়েছেন, অব্যাহত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে হাওরাঞ্চলের নিকলী, মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।


পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছেন না। অন্যদিকে খলায় রাখা ধান রোদ না পাওয়ায় শুকাতে না পেরে পচন ধরছে এবং চারা গজানোর ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ করছেন। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


এ বছর কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলায় মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাওর এলাকাতেই ১ লাখ ৪ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫৯ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। নিকলী আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ১২ ঘণ্টায় জেলায় ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নদীগুলোর পানি বাড়লেও এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তবে বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।


জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও রোদ না থাকায় পাঁচ দিন ধরে কেটে আনা ধান শুকানো সম্ভব হচ্ছে না। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে ভেজা ধান স্তূপ করে রাখছেন, ফলে ক্ষতির শঙ্কা আরও বাড়ছে।


স্থানীয় কৃষকদের মতে, একদিকে জমির ফসল পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে ঘরে আনা ধানও নষ্ট হচ্ছে—সব মিলিয়ে তারা এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।


  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
অবৈধ তিন হাজার ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হচ্ছে

অবৈধ তিন হাজার ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হচ্ছে