ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় মধ্যরাতে পুলিশের হানা: ৮৫ তরুণ-তরুণীকে কারাদণ্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও 'সফট পাওয়ার' হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর স্পেনে বিরল রাজকীয় সম্মাননায় ভূষিত মেসি: একমাত্র অ্যাথলেট হিসেবে অর্জন করলেন ঐতিহাসিক অ্যাওয়ার্ড ইয়েমেনে সৌদি জোটের তীব্র বিমান হামলা: সানায় নিহত অন্তত ৩, আহত বহু যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার বিপরীতে আক্রমণাত্মক নীতি গ্রহণের ঘোষণা ইরানের; মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা ডিএসসিসির অবকাঠামো সংস্কারে ৭১৪ কোটি টাকার উদ্যোগ, একনেকে উঠছে ১৫ প্রকল্প চাঁদপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের শাখায় গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ড: জানালা দিয়ে বস্তু নিক্ষেপের অভিযোগ গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও ৩ সদস্যকে মারধর অরুণাচলে মেগা বাঁধ প্রকল্পের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলন: যৌথ বাহিনীর টিয়ার গ্যাস, থমথমে পরিস্থিতি শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৫ম বারের মতো দানবাক্স ও ডেগ খুলে অর্থ গণনা শুরু

আইনি লড়াইয়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে হারিয়ে তুরস্কের রুমেইসার পিএইচডি অর্জন

ফিলিস্তিনের পক্ষে মতামতধর্মী নিবন্ধ লেখাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের বহিষ্কার ও ভিসা বাতিলের হুমকির মুখে পড়েন রুমেইসা
  • আপলোড সময় : ২২ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ২:৪৬ সময়
  • আপডেট সময় : ২২ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ২:৪৬ সময়
আইনি লড়াইয়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে হারিয়ে তুরস্কের রুমেইসার পিএইচডি অর্জন

ফিলিস্তিনের পক্ষে মতামতধর্মী নিবন্ধ লেখাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের বহিষ্কার ও ভিসা বাতিলের হুমকির মুখে পড়েন রুমেইসা ওজতুর্ক। তবে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তিনি নিজের পিএইচডি সম্পন্ন করে সফলভাবে তুরস্কে ফিরে গেছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চে টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থী হিসেবে রুমেইসা ওজতুর্কসহ কয়েকজন ‘টাফটস ডেইলি’তে একটি মতামতধর্মী নিবন্ধ লেখেন। সেখানে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডকে “গণহত্যা” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এর এক বছর পর ট্রাম্প প্রশাসন ওই লেখার সূত্র ধরে তার বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ তোলে এবং শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) তাকে আটক করে লুইজিয়ানার একটি ডিটেনশন সেন্টারে পাঠায়।


দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর চলতি মাসে রুমেইসা ওজতুর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যে সমঝোতা হয়। ফলে তার বিরুদ্ধে চলমান ইমিগ্রেশন মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে তার মর্যাদা পুনর্বহাল করা হয়। তিনি বলেন, ১৩ বছরের একাডেমিক অধ্যয়ন শেষে তিনি পিএইচডি সম্পন্ন করতে পেরে গর্বিত এবং এখন নিজের দেশে ফিরে গবেষণা ও মানব উন্নয়ন নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।


ম্যাসাচুসেটসের আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের (ACLU) আইন পরিচালক জেসি রসম্যান বলেন, সরকারের পদক্ষেপ বেআইনি হলেও ওজতুর্ক তা মানবাধিকার ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করেছেন।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, একটি অভিবাসন আদালত আগেই রায় দিয়েছিল যে তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। তবে পরে সেই বিচারককে বরখাস্ত করা হয়। সরকারি নথিতেও দেখা যায়, ওই বিতর্কিত নিবন্ধ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ভিসা বাতিলের মতো অন্য কোনো প্রমাণ ছিল না।


সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
টঙ্গীতে শিশুকন্যাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদরাসাশিক্ষক আটক, থানায় দুই পক্ষের মামলা

টঙ্গীতে শিশুকন্যাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদরাসাশিক্ষক আটক, থানায় দুই পক্ষের মামলা