ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
হ্যাঁ ভোটের প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বাধা নেই : আলী রীয়াজ আর্টেমিস-২ মিশন: ৫০ বছর পর চাঁদে মানুষ পাঠাতে প্রস্তুত নাসা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট হচ্ছে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা তরুণদের ওপর ডিগ্রি অর্জনের চেয়ে সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব বেশি: মৎস্য উপদেষ্টা লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে গণকবর, উদ্ধার ২১ মরদেহ সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে থাকবে বিএনপি: তারেক রহমান নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স টিমের কার্যক্রম চালু প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ ভোটে প্রচারণা চালাতে আইনি বাধা নেই: আলী রীয়াজ নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

বঙ্গোপসাগরের দুই হাজার মিটার গভীরে পাওয়া গেছে প্লাস্টিক

বঙ্গোপসাগরের তলদেশে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পাশাপাশি
  • আপলোড সময় : ৬ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ৩:২১ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ৩:২১ সময়
বঙ্গোপসাগরের দুই হাজার মিটার গভীরে পাওয়া গেছে প্লাস্টিক ছবি : সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরের তলদেশে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিত করতে গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।


গবেষণা জাহাজ ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’ কর্তৃক পরিচালিত সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেমের ওপর পরিচালিত জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদন মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করে এ সংক্রান্ত কমিটি। তখন তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানীর সমন্বয়ে এই জরিপ চালানো হয়, যার মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাংলাদেশি।


বৈঠকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেসের অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী গবেষণা উপাত্ত তুলে ধরেন। 


তিনি জানান, বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে। এটা ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এটি হয়েছে।


দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিক পাওয়ার কথা জানিয়েছেন অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী। যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।


এদিকে, ২০১৮ সালের গবেষণার তুলনায় দেখা গেছে, গভীর সমুদ্রে বড় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং স্বল্প গভীরতায়ও মাছের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে।


বৈঠকে জানানো হয়, গভীর সমুদ্রে ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় ট্রলার মাছ আহরণ করলেও এর মধ্যে ৭০টি ট্রলার ‘সোনার’ ব্যবহার করে ‘টার্গেটেড ফিশিং’ করছে। যা অত্যন্ত আগ্রাসী পদ্ধতি হওয়ায় বড় মাছ ধরা পড়লেও ক্ষুদ্র জেলেরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।


এ নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ‘এভাবে টার্গেটেড ফিশিং হলে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সোনার ফিশিং নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।’


তবে গবেষণায় টুনা মাছের আধিক্য ও উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।


এছাড়া, সুন্দরবনের নিচে একটি ‘ফিশিং নার্সারি’র সন্ধান পাওয়া গেছে, যা সংরক্ষণে নির্দেশ দিয়েছে সরকার।


প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন, সামুদ্রিক সম্পদকে কাজে লাগাতে পর্যাপ্ত গবেষণা ও পলিসি সাপোর্ট প্রয়োজন। বাংলাদেশের স্থলভাগের সমপরিমাণ অঞ্চল জলভাগ হলেও এই বিপুল সম্পদ আমরা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি। 

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা: জয়-পলকের আইনজীবীর শুনানি আজ

ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা: জয়-পলকের আইনজীবীর শুনানি আজ