পেট ফাঁপার সমস্যা এমন একটি অস্বস্তিকর অনুভূতি, যা খাবার খাওয়ার পরে অনেকের ক্ষেত্রেই হতে পারে। এটি তখন ঘটে,

পেট ফাঁপা কমাতে ১০টি উপকারী খাবার

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ৬ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ১০:২৫ সময় , আপডেট সময় : ৬ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ১০:২৫ সময়

পেট ফাঁপার সমস্যা এমন একটি অস্বস্তিকর অনুভূতি, যা খাবার খাওয়ার পরে অনেকের ক্ষেত্রেই হতে পারে। এটি তখন ঘটে, যখন অতিরিক্ত বাতাস বা গ্যাস পাচনতন্ত্রে জমা হয়ে যায় বা যখন পেটের পেশীগুলি খাবার সঠিকভাবে হজম করতে ব্যর্থ হয়। এই সমস্যা নানা কারণে হতে পারে, যেমন দ্রুত খাওয়া, বাতাস গিলতে গিলতে খাবার খাওয়া, গ্যাস তৈরিকারী খাবার খাওয়া (যেমন ডাল, পেঁয়াজ, সোডা পানীয়), বা খাদ্য সংবেদনশীলতা। কখনও কখনও হরমোনের পরিবর্তনও পেট ফাঁপার কারণ হতে পারে।

তবে ভালো খবর হলো, কিছু খাবার পাচনতন্ত্রকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং গ্যাস ও পেট ফাঁপার সমস্যা কমাতে সহায়তা করতে পারে। হাভার্ড প্রশিক্ষিত গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ড. সৌরভ সেথি পেট ফাঁপা কমাতে ১০টি সেরা খাবারের নাম দিয়েছেন।

১. কিউই:
কিউই ফাইবারে সমৃদ্ধ এবং এতে আছে অ্যাকটিনিডিন এনজাইম, যা প্রোটিন হজম করতে সহায়তা করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দুইটি কিউই প্রতিদিন খাওয়ার ফলে হালকা কোষ্ঠকাঠিন্য ভোগী মানুষের পেটের সমস্যা কমে যায়।

২. পেঁপে:
পেঁপের মধ্যে প্যাপেইন এনজাইম রয়েছে, যা প্রোটিন হজমে সহায়তা করে। এটি প্রোটিনভিত্তিক খাবার খাওয়ার পর পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

৩. আনারস:
আনারসের মধ্যে ব্রোমেলেইন নামক এনজাইম রয়েছে, যা প্রোটিন হজমে সহায়তা করে। একটি ছোট আনারসের টুকরো খাওয়ার পর পেটের সমস্যা কমে যেতে পারে।

৪. শসা:
শসা প্রচুর পরিমাণে পানি ধারণ করে এবং এতে ফাইবারও রয়েছে। এটি শরীরের অতিরিক্ত সোডিয়াম ফ্লাশ আউট করতে সাহায্য করে, যা জল ধারণ এবং পেট ফাঁপা কমাতে সহায়তা করে।

৫. চিয়া বীজ:
চিয়া বীজ ফাইবারে সমৃদ্ধ, এবং পানি সহ খেলে গাটে জেলি জাতীয় গঠন তৈরি করে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।

৬. কুইনোয়া:
কুইনোয়া একটি পূর্ণ শস্য যা প্রিবায়োটিক ফাইবারে সমৃদ্ধ। এটি পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে।

৭. ওটস:
ওটসের মধ্যে থাকা বিটা-গ্লুকান রক্তে কোলেস্টেরল এবং ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করে।

৮. আদা:
আদা পাচনতন্ত্রের জন্য দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহৃত একটি উপাদান। এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে।

৯. পিপারমিন্ট চা বা তেল:
পিপারমিন্ট তেল পেটের পেশীগুলিকে শিথিল করে এবং গ্যাস ও স্প্যামস কমাতে সহায়তা করে।

১০. সোনালি বীজ:
সোনালি বীজ ঐতিহ্যগতভাবে গ্যাস এবং পেট ফাঁপা কমাতে ব্যবহৃত হয়। এটি পিপারমিন্ট চায়ের মতো খাবার পর খাওয়া যেতে পারে।

এগুলি ছাড়াও যদি কেউ পেট ফাঁপা, অবশিষ্ট ক্ষতি বা বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেটের অন্যান্য গুরুতর সমস্যা অনুভব করেন, তাহলে তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা:
এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে এবং পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। দীর্ঘস্থায়ী পাচনতন্ত্রের সমস্যা থাকলে সর্বদা একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯