বসুন্ধরা শুভসংঘ পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর শাখার উদ্যোগে কুয়াকাটা সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা সংবলিত প্রচারপত্র বিলি

কুয়াকাটায় সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিলি করল বসুন্ধরা শুভসংঘ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৫ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ২:২৭ সময় , আপডেট সময় : ৫ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ২:২৭ সময়

বসুন্ধরা শুভসংঘ পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর শাখার উদ্যোগে কুয়াকাটা সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা সংবলিত প্রচারপত্র বিলি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে এই প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচি আয়োজিত হয়।


প্রচারপত্রে কুয়াকাটায় আসা পর্যটক এবং স্থানীয়দের স্বাস্থ্য, পরিবেশ, সামাজিক দায়বোধ ও শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষা সম্পর্কে তথ্য দান করা হয়েছে। পরিকল্পিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুয়াকাটার জিরো পয়েন্ট এলাকার আশপাশে এ প্রচারপত্র মানুষের  হাতে তুলে দেওয়া হয়।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বসুন্ধরা শুভসংঘ কুয়াকাটা পৌর শাখার সভাপতি মো. সাইদুর রহমান, সহসভাপতি কাজী সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মো. আল আমিন, কার্যকরী সদস্য ইব্রাহীম ওয়াহিদ, কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের এ এস আই মো. জসিমসহ প্রমুখ। 


সদস্য মো. ইব্রাহীম ওয়াহিদ বলেন, ‘এমন প্রচারপত্র কম দেখা যায়। এটি একটু হলেও মানুষকে ভাবাবে এবং সচেতন করে তুলতে সাহায্য করবে।’


সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, ‘সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে প্রতিদিন হাজারো পর্যটক বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় স্বজন বা পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসেব।


সমুদ্র সৈকতে প্লাস্টিক,পলিথিনসহ বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা ফেলায় প্রতিনিয়ত দুষিত হচ্ছে। এ নিয়ে সচেতন করা সারা বছরই দরকার। সচেতনতাই পারে সবার দায়িত্ব জাগ্রত করতে।’

সভাপতি মো. সাইদুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই, কুয়াকাটা সৈকতটি পরিছন্ন থাকুক।


সাথে থাকুক স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সচেতনতা। প্রচারপত্র একটি ক্ষণস্থায়ী উদ্যোগ, তবে বার্তাটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেললেও আমরা সন্তুষ্ট হব।’

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯