ময়মনসিংহ নগরীতে ‘আত্তায়ে রাসুল চার তরিকা খাজা বাবার দায়রা শরিফ’ নামে একটি খানকা ভাঙচুর করা হয়েছে। ‘অসামাজিক কার্যকলাপ’

ময়মনসিংহে খানকা শরিফে হামলা ও ভাঙচুর

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বিকাল ৫:৫৮ সময় , আপডেট সময় : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বিকাল ৫:৫৮ সময়

ময়মনসিংহ নগরীতে ‘আত্তায়ে রাসুল চার তরিকা খাজা বাবার দায়রা শরিফ’ নামে একটি খানকা ভাঙচুর করা হয়েছে। ‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ চালানোর অভিযোগ তুলে একদল লোক এই ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।


শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দায়রা শরিফের খাদেম উসমান গণি ফকির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার দুপুরে নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুতিয়াখালী বাজারে ‘ দায়রা শরিফে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।


এ ঘটনায় রাতেই অজ্ঞাত পরিচয় ৫০-৬০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। তবে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুতিয়াখালী বাজারে ‘আত্তায়ে রাসুল চার তরিকা খাজা বাবার দায়রা শরিফ’ প্রতি শুক্রবার রাতে সামা কাওয়ালি গানের আসর হয়। স্থানীয় বাসিন্দা উসমান গণি ফকির প্রায় ১৭ বছর আগে বাজারের এক পাশে সরকারি জমিতে একটি ঘর করে সেখানে ওই খানকা গড়ে তোলেন। এখানে নিজের ভক্তদের নিয়ে আড্ডা দিতেন উমসান গণি ফকির। স্থানীয় লোকজন এটিকে গণি ফকিরের আস্তানা নামে জানে। কাওয়ালি গানের আয়োজন করায় সম্প্রতি ‘অসামাজিক’ আখ্যা দিয়ে এটি বন্ধের জন্য দাবি জানিয়ে আসছিলেন একদল মুসল্লি।


দায়রা শরিফের খাদেম উসমান গণি ফকির বলেন, ‘গতকাল জুমার নামাজের সময় একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় খানকায় ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। হামলার সময় আমরা কেউ সেখানে ছিলাম না। ঘর-দরজা ভেঙে কুপিয়ে তছনছ করেছে, সাউন্ডবক্সের সেট নিয়ে গেছে। এখানে প্রায় সাড়ে ১৭ বছর ধরে আস্তানা ছিল। এখানে খাজা বাবার দায়রা শরিফে মিলাদ হতো, গানবাজনা হতো। কিন্তু কোনো কিছু না বলে হঠাৎ আজ ভেঙে দেওয়া হয়।


ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ময়মনসিংহ বাউল সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম (আসলাম) বলেন, ‘সুফি এবং বাউল দর্শন কখনোই সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা সমর্থন করে না। সুতরাং যেকোনো দরবার, দরগা, মাজার ও আস্তানা ভেঙে যারা আমাদের মুসলিম সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিনষ্ট করছে, তাদের প্রতি ঘৃণা জানাই।’


ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি পীরের আস্তানা রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন রকমের কার্যকলাপ হয়, যা স্থানীয় সাধারণ মানুষের পছন্দ হচ্ছিল না। সেখানে সাউন্ড সিস্টেমে গানবাজনা করা হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাত পরিচয় ৫০-৬০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। জড়িতদের ধরতে চেষ্টা চলছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯