আজ থেকে পেট্রল
পাম্প মালিকদের জ্বালানি
তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ
রাখার ঘোষণা থাকলেও জ্বালানি
তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
সকালে
ঢাকায় একাধিক পেট্রল পাম্প ঘুরে এ চিত্র দেখা
গেছে। পেট্রল পাম্প মালিকদের একাংশ এ ধর্মঘট ডাকলেও
মূল অংশটি এতে সমর্থন দেয়নি।
সরকারি সংস্থার কাছ থেকে জ্বালানি তেল (ডিজেল, পেট্রল, অকটেন) কিনে, তা বিভিন্ন ডিপো ও পেট্রলপাম্পে পরিবহন এবং গ্রাহকের কাছে বিক্রি করেন তাঁরা।
তবে গতকাল রাতেই মালিকদের দাবির একটি পূরণ করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।তাদের কমিশন এজেন্ট হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ সকাল ৮টা থেকে এ ধর্মঘট শুরু হয়। তবে ধর্মঘটের প্রথমদিনেই রাজধানীতে দেখা গেল অনেক পাম্পই খোলা। তারা ধর্মঘট মানছেন না। পেট্রোল, ডিজেল, অকটেন জ্বালানি বিক্রি হচ্ছে সেসব পাম্পে।
কল্যাণপুরের অন্যতম বড় তেল ও সিএনজি পাম্প খালেক সার্ভিস সেন্টারে পেট্রোল, ডিজেল, অকটেন বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতাকর্মচারী শাহাদত তালুকদার জানালেন, আমাদের পাম্প ২৪ ঘণ্টা খোলা আছে। যারা ধর্মঘট ডেকেছে তারা ভুয়া।
মিরপুরের রোকেয়া সরণির তেল পাম্পের কর্মচারী রাশেল জানালেন, ধর্মঘটের ব্যাপারে আমরা জানি না। আমাদের মজুদে যতক্ষণ তেল আছে বিক্রি করবো।
রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে রাজধানীর মিরপুর, গাবতলী, তেজগাঁও ও মতিঝিলের ১৮টি তেল পাম্পে সরেজমিনে দেখা যায়, এসব পাম্প খোলা এবং যথারীতি তেল বিক্রি হচ্ছে। পাম্প থেকে জানানো হলো পাম্প খোলাই আছে। ধর্মঘটের ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো নির্দেশনা নেই।
রাজধানীর এসব তেল পাম্পে অন্যদিনের মতোই তেল বিক্রি হচ্ছে। কোনো পাম্পেই তেল না নিয়ে গাড়ি ফিরছে না। এ বিষয়ে কোনো গাড়ির ড্রাইভার বা মটরসাইকেলচালকেরই অভিযোগ নেই যে, তারা তেল পাচ্ছে না।