ভারতে ক্রমবর্ধমান ভাষাগত অসহিষ্ণুতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তিনি আশঙ্কার সুরে বলেছেন, বাংলাভাষী হওয়ার

আমাকেও বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে: অমর্ত্য সেন

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৩ আগস্ট ২০২৫, বিকাল ৫:১৬ সময় , আপডেট সময় : ২৩ আগস্ট ২০২৫, বিকাল ৫:১৬ সময়

ভারতে ক্রমবর্ধমান ভাষাগত অসহিষ্ণুতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তিনি আশঙ্কার সুরে বলেছেন, বাংলাভাষী হওয়ার কারণে তাকেও হয়ত একদিন বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হতে পারে। খবর, পিটিআই-এর।


শুক্রবার (২২ আগস্ট) কলকাতার সল্টলেকে এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে অমর্ত্য সেন এ কথা বলেন। দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাভাষী মানুষের প্রতি বিরূপ আচরণ নিয়ে নিজের মন্তব্য তুলে ধরেন ৯১ বছর বয়সী এই অর্থনীতিবিদ।


অমর্ত্য সেন বলেন, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাভাষীদের নিয়ে বিরূপ মনোভাব বাড়ছে। বাংলায় কথা বলার কারণে সম্প্রতি কয়েকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। আমাকেও বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে, কারণ আমার পৈতৃক বাড়ি ঢাকায়।


তিনি আরও বলেন, আমি সংবাদপত্রে পড়েছি, বাংলায় কথা বলার কারণে একজনকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। এতে আমি চিন্তিত হয়েছি। ভেবেছিলাম ফরাসি ভাষায় কথা বলব, কিন্তু সমস্যা হলো আমি ফরাসি জানি না।


তবে রসিকতা করে এক পর্যায়ে তিনি বলেন, আমাকে বাংলাদেশে পাঠালে আমার আপত্তি নেই। ঢাকায় আমাদের বাড়ি ছিল, পরিবারের শিকড়ও সেখানেই।


সব সংস্কৃতি ও ভাষার নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিটি সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সম্মান জানানো জরুরি বলে মনে করেন অমর্ত্য সেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আমি বলছি না যে, বাঙালি সংস্কৃতিই সেরা। কিন্তু, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ইতিহাস তুলে ধরা দরকার। সম্মান যদি না থাকে, তবে প্রতিবাদ করতে হবে।


উল্লেখ্য, ভারতে জাতীয় ভোটার তালিকার সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে দেশজুড়ে চলছে বিতর্ক। এমন এক সময়ে জাতিগত বৈষম্যের নিরিখে এমন মন্তব্য করলেন অমর্ত্য সেন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯