রংপুরে বাজেট বৈষম্যের শিকার ও স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো মেলেনি সুরাহা।

ভাঙা ব্রিজে কাঠের পাটাতনই একমাত্র ভরসা!

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২১ আগস্ট ২০২৫, বিকাল ৫:৪২ সময় , আপডেট সময় : ২১ আগস্ট ২০২৫, বিকাল ৫:৪২ সময়

রংপুরে বাজেট বৈষম্যের শিকার ও স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো মেলেনি সুরাহা। দুর্ঘটনা এড়াতে ক্ষোভ আর আক্ষেপ নিয়ে স্থানীয়রা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাঠ দিয়ে মেরামত করেন ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি।


রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের শেখপাড়ার এই ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় কাঠের তৈরি পাটাতনে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছেন হাজারো মানুষ।


সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, রংপুর গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড শেখপাড়া ব্রিজটি গত বছরের বন্যায় তিস্তার পানি বেড়ে খরস্রোতে এই ব্রিজটি ভেঙে পড়ে।


বন্যা পেরিয়ে এক বছরেও হয়নি এই ভাঙা ব্রিজটির কোনো উন্নয়ন। যাতায়াতের ভোগান্তি দূর করতে স্থানীয় প্রভাবশালী মানুষের সহযোগিতায় স্বল্প কিছু অর্থদানে বাঁশ, কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয় পাটাতন ব্রিজটি। আর এই ব্রিজ প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাসরত একমাত্র চলাচলের ভরসা।


ব্রিজটির দক্ষিণ পার্শ্বে পুরো কোণ ভেঙে মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে। আবারও স্থানীয়রা চাঁদা সংগ্রহ করে ব্রিজের কোণাটি বাঁশ, কাঠ দিয়ে আপাতত চলাচলের জন্য ব্রিজটি মেরামত করেন। এভাবেই ভোগান্তি চলছে দিনের পর দিন।


স্থানীয়দের দাবি, গঙ্গাচড়ার মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮০ ভাগ মানুষই হতদরিদ্র। এলাকায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ওয়ার্ড প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও ব্রিজটি নির্মাণের বরাদ্দ মেলেনি উন্নয়ন প্রকল্পে। জরাজীর্ণ ব্রিজটি ভেঙে নতুন ব্রিজ তৈরি করে ভোগান্তি নিরসনের জোরালো দাবি এলাকাবাসীর।


ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা মীর কাশেম মিঠু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পাটাতনের ওপর নির্ভর করে চলছে যাতায়াত ব্যবস্থা। আমাদের দুঃখ কারো চোখে পড়ে না। এই শেখপাড়া হতদরিদ্র ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। প্রায়ই ১০ হাজার লোক ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি দাবি জানাচ্ছি দ্রুত বাজেট প্রণয়নের মধ্যে দিয়ে ব্রিজটি নির্মাণ করা হোক।


এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মৃধা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হলাম, এলাকাবাসীর ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯