ইরাকে বাংলাদেশি যুবককে নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার

বাংলাদেশি যুবককে ইরাকে নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায়, গ্রেপ্তার ৮

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৮ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৩:৭ সময় , আপডেট সময় : ২৮ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৩:৭ সময়
ইরাকে বাংলাদেশি যুবককে নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে পিবিআই হেড কোয়াটারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআই এর ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা। 

ভিকটিম ইরাক প্রবাসী মোসলেম মোল্লা নবাবগঞ্জ দড়িকান্দা গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে। তিনি ২০১৬ সালে কাজের উদ্দশ্যে ইরাক যায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের মাতা খতেজা বেগম বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানার মামলা করেন। গ্রেপ্তারকৃত ৮ জন আসামিকে আদালতে পাঠালে ৬ জন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—আলী হোসেন, মো. শামীম, শিরিন সুলতানা, মোহাম্মদ ঘরামী, রবিউল ঘরামী, শাহিদা বেগম, সাহনাজ আক্তার লিপি ও মো. আকবর সরদার। এই ৮ জনকে বরিশাল, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মাগুরা ও খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।  

কুদরত-ই-খুদা বলেন, ইরাকে অবস্থানের সময় ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের ২৩ তারিখ সেলিম মিয়ার সঙ্গে ভিকটিমের পরিচয় হয়। সে ভিকটিমকে ভালো বেতনের কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ইরাকের চক্র আনোয়ার, শাহনেওয়াজ, রুহুল আমিন, মনির, হাসিবুর, সাব্বিরদের হাতে তুলে দেয়। ভিকটিম মোসলেমকে নিয়ে আসামিরা একটি আবদ্ধ রুমে আটক করে ভিকটিমের সঙ্গে থাকা ২ হাজার ইউএস ডলার ও একটি দেড় লাখ টাকা মূল্যের আইফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভিকটিমকে নির্যাতন করতে থাকে। তিন দিন ধরে নির্মম নির্যাতনের পর সেই নির্যাতনের দৃশ্য ইমো অ্যাপের মাধ্যমে লাইভ ভিডিও কলে ভিকটিমের মাকে দেখায় এবং মোট ১১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। 

ভিকটিমের মা খতেজা বেগম ছেলের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আসামিদের পাঠানো ১২টি বিকাশ নম্বরে ২৬টি ট্রানজেকশনের মাধ্যমে মোট ছয় লাখ টাকা দেন। আসামি আনোয়ার, শাহনেওয়াজ, রুহুল আমিন, মনির, হাসিবুর, সাব্বিরগং ইরাকে অবস্থান করলেও বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সদস্যরা এই মুক্তিপণের টাকা বিভিন্ন বিকাশ এজেন্টের দোকান ও নিজেদের পারসোনাল বিকাশ নম্বর থেকে ক্যাশ আউট করে নেয়। শাহনেওয়াজ অপহরণ চক্রের দলনেতা বলে গ্রেপ্তারকৃতরা জানান। 

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯