ফাইনালের মতো ফাইনাল যাকে বলে। ২০১০-এর পর যাদের বিপক্ষে কলম্বিয়া কোনো গোলেরই দেখা পায়নি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল করল ৩টি। ব্রাজিলও জাল খুঁজে নিল ৩বার। মেয়েদের কোপা আমেরিকার ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে আরও দুটি গোল করল দুদল। এরপর টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে টানা পঞ্চম ও রেকর্ড নবম শিরোপা নিজেদের করে নেয় সাম্বার দেশের মেয়েরা।
ইকুয়েডরের কুইটোতে বল পায়ে আধিপত্য বিস্তার করে ব্রাজিলই। পুরো ম্যাচে ৬০ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রাখা ব্রাজিল ২১টি শটের মধ্যে লক্ষ্যে রাখে ৯টি। আর কলম্বিয়ার ১৪টির মধ্যে লক্ষ্যে থাকে ৬টি শট। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে কলম্বিয়াকে এগিয়ে নেন লিন্ডা কাইসেদো। প্রথমবার্ধের যোগ করা নবম মিনিটে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান অ্যাঞ্জেলিনা। বিরতি শেষে মাঠে ফিরে ৬৯তম মিনিটে নিজেদের জালেই বল জড়ান সেলেসাওদের ডিফেন্ডার টর্সিয়ান। আত্মঘাতী গোলে ফের লিড নেয় কলম্বিয়ানরা।
৮০তম মিনিটে ব্রাজিলকে আবার সমতা এনে দেন আমান্দা গুতিরেয়েস। আট মিনিটের মধ্যে মাইরা রামিরেজের গোলে জয়ের সুবাস পেতে থাকে কলম্বিয়া। এরপরই ব্রাজিলের ত্রাতা হয়ে আসেন এ টুর্নামেন্টের জন্য অবসর ভেঙে ফেরা মার্তা। যোগ করা ষষ্ঠ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে তার দুর্দান্ত এক গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। অতিরিক্ত সময়ের খেলায় ১০৫তম মিনিটে ফের মার্তার গোলে ৪-৩ গোলে লিড নেয় ব্রাজিল। তবে রোমাঞ্চ তখনও বাকি। ১১৫তম মিনিটে কলম্বিয়ার লেইসি সান্তোসের গোলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
স্পটকিক থেকে জাল মিস করেন ব্রাজিলের অ্যাঞ্জেলিনা। পেনাল্টি শুটআউটে প্রথম পাঁচ শটের দুটি করে মিস করে দুদলই। পরে ষষ্ঠ শটে ব্রাজিলের লাউনি গোল করলেও ব্যর্থ হন কলম্বিয়ার জোরেলিন কারাভালি। এই মিসের পরই শিরোপা জয়ের উল্লাসে মাতে ব্রাজিলের মেয়েরা।