গাজায় চরম খাদ্য সংকট ও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবিক সংস্থার ব্যাপক উদ্বেগের মধ্যে শনিবার ইসরায়েল পুনরায় আকাশপথে ত্রাণ সরবরাহ

গাজায় দুর্ভিক্ষের পর ত্রাণ করিডোর খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইসরায়েলের

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ২৭ জুলাই ২০২৫, সকাল ৯:৫১ সময় , আপডেট সময় : ২৭ জুলাই ২০২৫, সকাল ৯:৫১ সময়
গাজায় চরম খাদ্য সংকট ও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবিক সংস্থার ব্যাপক উদ্বেগের মধ্যে শনিবার ইসরায়েল পুনরায় আকাশপথে ত্রাণ সরবরাহ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া মানবিক সংকট লাঘবে আরও কিছু উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে দেশটি।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গাজার বাসিন্দাদের জন্য সাহায্য পৌঁছে দিতে জাতিসংঘের ত্রাণবাহী গাড়িগুলোর চলাচলের জন্য "মানবিক করিডোর" চালু করা হবে এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় "মানবিক বিরতি" কার্যকর করা হবে। এসব সহায়তা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হবে এবং এতে আটটি প্যালেটে করে ময়দা, চিনি ও টিনজাত খাবার পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইতোমধ্যে গাজার উত্তরে আকাশপথে সহায়তা পৌঁছেছে।

তবে এই সহায়তার মধ্যেও ইসরায়েল বলছে, গাজায় তাদের সামরিক অভিযান থেমে থাকেনি। অন্যদিকে, ইতালি থেকে গাজামুখী একটি মানবিক সহায়তা জাহাজকে ইসরায়েলি নৌবাহিনী আটক করেছে এবং সেটিকে ইসরায়েলি উপকূলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা। জাহাজে থাকা সবাই নিরাপদ আছে বলে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, "গাজায় কোনো দুর্ভিক্ষ চলছে না; এটি হামাসের চালানো মিথ্যা প্রচারণা। খাদ্য বিতরণের দায়িত্ব জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর। তাদেরই উচিত ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করা এবং নিশ্চিত করা যেন হামাস এসব ত্রাণ হাতিয়ে না নেয়।"

জাতিসংঘ অবশ্য বলছে, ইসরায়েল পর্যাপ্ত বিকল্প রুট না দেওয়ায় তাদের ত্রাণ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ জানায়, "মানবিক বিরতি কার্যকর হলে ত্রাণ সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে।"

গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত কয়েক সপ্তাহে অপুষ্টিজনিত কারণে ডজনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অপুষ্টিতে ১২৭ জন মারা গেছে, যার মধ্যে ৮৫ জন শিশু।

ইসরায়েল আরও জানায়, তারা একটি বিদ্যুৎ লাইন সংযুক্ত করেছে একটি লবণাক্ত পানি অপসারণ প্ল্যান্টে, যা প্রতিদিন প্রায় ৯ লাখ গাজাবাসীর পানির চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস নেতৃত্বাধীন যোদ্ধারা ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী শহরগুলোতে হামলা চালিয়ে ১,২০০ জনকে হত্যা ও ২৫১ জনকে অপহরণ করলে ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৬০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং অঞ্চলটির অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯