ইন্দোনেশিয়ার ব্যস্ত নৌপথে এক মর্মান্তিক নৌদুর্ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন এবং বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩

ইন্দোনেশিয়ায় ফেরিডুবিতে প্রাণহানি, নিখোঁজ অনেক, উদ্ধার তৎপরতা চলমান

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ৩ জুলাই ২০২৫, দুপুর ১২:৫৭ সময় , আপডেট সময় : ৩ জুলাই ২০২৫, দুপুর ১২:৫৭ সময়
ইন্দোনেশিয়ার ব্যস্ত নৌপথে এক মর্মান্তিক নৌদুর্ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন এবং বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) স্থানীয় সময় অনুযায়ী এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

দুর্ঘটনাকবলিত ফেরিটি, ‘কেএমপি তুনু প্রতমা জয়া’, পূর্ব জাভার বেনিওয়াঙ্গি বন্দরের কেতাপাং থেকে ছেড়ে বালির গিলিমানুক বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। যাত্রা শুরুর প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যেই ফেরিটি ডুবে যায়। তখন এতে ৫৩ জন যাত্রী, ১২ জন কর্মী এবং ২২টি যানবাহন ছিল।

দুর্ঘটনার পর এখন পর্যন্ত ৩১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উত্তাল সমুদ্র ও প্রায় ২.৫ মিটার উঁচু ঢেউয়ের কারণে প্রাথমিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হয়। তবে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় উদ্ধার কাজ পুনরায় জোরদার করা হয়েছে।

উদ্ধারে অংশ নিচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী, পুলিশ ও দুর্যোগ মোকাবিলা দলসহ ৫৪ জনের বেশি সদস্য। সুরাবায়া শহর থেকে একটি বড় উদ্ধার জাহাজ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এখনও নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে অভিযান চলছে।

ফেরির যাত্রীদের মধ্যে কেউ বিদেশি ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত না হলেও, স্থানীয় টিভি চ্যানেল ‘মেট্রো টিভি’র তথ্যমতে সবাই স্থানীয় নাগরিক।

এই দুর্ঘটনার খবর পৌঁছার পর সৌদি আরবে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দেন।

উল্লেখ্য, জাভা ও বালি দ্বীপের মধ্যকার এই ফেরি রুটটি ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় ও ব্যস্ততম নৌপথ, যা মূলত ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী যানবাহন নিয়ে যাতায়াতকারীদের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জলপথ পাড়ি দিতে এক ঘণ্টার মতো সময় লাগে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯