বিদায়ী অর্থবছরে (২০২৩-২৪) বেনাপোল বন্দর ব্যবহার করে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ২২ লাখ ৫ হাজার ৪৭৮ জন পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন।

বেনাপোল দিয়ে বিদায়ী অর্থবছরে ২২ লাখ যাত্রীর যাতায়াত

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৩ জুলাই ২০২৪, দুপুর ১০:১১ সময় , আপডেট সময় : ১৩ জুলাই ২০২৪, দুপুর ১০:১১ সময়
বিদায়ী অর্থবছরে (২০২৩-২৪) বেনাপোল বন্দর ব্যবহার করে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ২২ লাখ ৫ হাজার ৪৭৮ জন পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন। এর মধ্যে ভারতে গেছেন ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪ জন এবং এসেছেন ১০ লাখ ৮০ হাজার ৪৭৪ জন।
বিদায়ী অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী, যাত্রী যাতায়াতের পরিমাণ বেড়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৭৮৫ জন।  এ সময় ভ্রমণ কর বাবদ বাংলাদেশ সরকারের আয় হয়েছে প্রায় ১২০ কোটি টাকা। আর ভারত সরকারের আয় ১০০ কেটির উপরে।

বেনাপোল বন্দর থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৮৫ কিলোমিটার। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার বেশিরভাগ পাসপোর্টধারী চিকিৎসা, ব্যবসা, উচ্চশিক্ষা গ্রহণ আর দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করতে বেনাপোল সীমান্ত ব্যবহার করেন।

পদ্মাসেতু ব্যবহারে এ যাত্রা আরো সহজ হয়েছে। তবে দুই পারের ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও বন্দর ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে ভুক্তভোগী যাত্রীদের। রয়েছে দালাল চক্রের কবলে পড়ে পাসপোর্টধারীদের ছিনতাই ও প্রতারণার ঘটনা।

বেনাপোল আমদানি, রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, বেশি হয়রানির শিকার হতে হয় ভারত অংশে। বিভিন্ন বৈঠকে যাত্রী সেবা বাড়াতে অনুরোধ জানালেও কাঙ্ক্ষিত সেবা মেলেনি।

এক পাসপোর্টধারী পলাশ জানান, পদ্মাসেতুর সুবিধায় ঢাকা থেকে ৫ ঘণ্টায় বেনাপোল আসা যায়। তবে বন্দর ভোর সাড়ে ৬টার পর খোলায় দুর্ভোগ রয়ে গেছে।

বেনাপোল পরিচালক রেজাউল করিম জানান, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চেয়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে যাত্রী যাতায়াতের পরিমাণ বেড়েছে। যাত্রীদের দালালদের থেকে সাবধান থাকতে বলা হয়েছে। যাত্রী সুবিধা বাড়াতে বন্দরে প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের জায়গা অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯