দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
মঙ্গলবার (০৪ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আদালত এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) স্বাধীনভাবে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। অথচ তিনি আদালতের ওপর চূড়ান্ত অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। অথচ আমাদের দেশে আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব এবং ওআইসি মহাসচিব সবাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন। আর বিএনপি-জামায়াত ও নামধারী বুদ্ধিজীবীরা তারা কোনো উন্নয়ন দেখতে পান না। তারা বিষোদগার ব্যস্ত থাকেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে যখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তখন বিএনপি-জামায়াত এবং নামধারী বুদ্ধিজীবী, তারা কোনো উন্নয়ন দেখতে পান না। তারা বিষোদগারে ব্যস্ত থাকেন। 'আল্লাহ'র কাছে প্রার্থনা করি, আল্লাহ যেন তাদের হেদায়েত করেন। তাদের বুদ্ধি যেন উন্নয়নের কাজে লাগে, অপপ্রচারের কাজে নয়।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে মনে করিয়ে দিতে চাই, আপনাদের শাসনামলে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারেক রহমানের দুর্নীতির বিষয়ে এফবিআই সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। 'বেগম জিয়া তিনি অসুস্থ মানুষ। তিনি আমার মায়ের বয়সী। তার বিষয়ে বেশি কথা বলতে চাই না। তারপর তিনিও দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত।
দুর্নীতির বরপুত্র তারেক রহমান। আর তাদের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল। একটা প্রবাদ আছে না চোরের মায়ের বড় গলা। আপনাদের আমলে হাওয়া ভবন, খোয়াব ভবন ছিল এ কথা উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, হাওয়া ভবনের বিষয়ে আপনারা জানেন, আর খোয়াব ভবনের বিষয়ে কথা বলতে আমার লজ্জা লাগে।