কিডনির সমস্যা খুব চুপিসাড়ে আসে। বাড়বাড়ন্ত না হলে বোঝা যায় না। তাই গরমকাল হোক বা শীতকাল, অল্প সমস্যা

গরমে কিডনির কোন কোন সমস্যা বাড়ে ? সুস্থ থাকতে যা করবেন

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ১৩ মে ২০২৪, দুপুর ১১:৫৬ সময় , আপডেট সময় : ১৩ মে ২০২৪, দুপুর ১১:৫৬ সময়
কিডনির সমস্যা খুব চুপিসাড়ে আসে। বাড়বাড়ন্ত না হলে বোঝা যায় না। তাই গরমকাল হোক বা শীতকাল, অল্প সমস্যা থাকলে তা বুঝে ওঠা সম্ভব নয়। কিন্তু সমস্য়া যখন থেকে মালুম হতে শুরু করে, তখন রোগ অনেকটাই গেড়ে বসেছে। গরমকালেও কিডনির নানা সমস্যা হতে পারে। আর সেটি তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার কারণেই হয়ে থাকে। কী কী সমস্যা হতে পারে ? কিডনির কেন এই সমস্যাগুলি হয় ? মুক্তির উপায়ই বা কী ? জেনে নেওয়া যাক বিশদে।

কিডনির কী কী সমস্যা হতে পারে ?
  • খনিজ পদার্থ ফিল্টার - কিডনি সাধারণত খনিজ পদার্থ ফিল্টার করে না। ফলে সেগুলি রক্তে থেকে যায়। কিন্তু কিডনির ক্ষতি হলে সেগুলিও ফিল্টার হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে।
  • গ্লোমেরুলি নষ্ট হয়ে যায় - নানা কারণে কিডনির গ্লোমেরুলি নষ্ট হয়ে যায়। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হল গরম। গরমকালে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যার ফলে সূক্ষ্ম রক্তজালিকা ছিঁড়ে যায়। এর ফলে প্রোটিনও মূত্র দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে।
  • উৎসেচক - শরীরের গুরুত্বপূর্ণ উৎসেচকও রক্তে মিশে থাকে। এই উৎসেচকগুলি নানা কাজে সাহায্য করে শরীরকে। এই বিলিরুবিন, বিলিভারডিনের মতো এই উৎসেচকগুলি মূত্র দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে।
কেন কিডনির সমস্যা বাড়ে  ?
  • ডিহাইড্রেশন - কিডনির সমস্যা হওয়ার একটি বড় কারণ ডিাহাইড্রেশন। এতে রক্তের মধ্যে জলের পরিমাণ কমে যায়। কিডনি তখন ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। কিছু ক্ষেত্রে কাজ করা বন্ধও করে দেয় আমাদের এই অঙ্গ।
  • তাপমাত্রা -  শরীরের ভিতরের তাপমাত্রা এমনিই বাইরের থেকে বেশি। তার মধ্যে বাইরের তাপমাত্রা ৪০ ছুঁলে ভিতরের তাপমাত্রা আরও বাড়বে। বেশি তাপমাত্রায় শরীরের অঙ্গ বিকল হয়ে যায়। কিডনির ক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়ে থাকে।
কী করলে সুস্থ থাকবে কিডনি ?
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। প্রাথমিক সুরাহা বলতে এটাই। গ্লোমেরুলি আমরা দেখতে পাই না। কারণ এগুলি খুবই সূক্ষ্ম। তাই কখন এগুলি খারাপ হচ্ছে তা বোঝা অসম্ভব। কারণ এই ক্ষেত্রে কোনও রোগ লক্ষণও দেখা দেয় না। তাই শরীরে জলের অভাব ঘটতে দিলে চলবে না।
  • অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা জায়গায় বেশি থাকতে হবে। এতে শরীর কম গরম হবে। ফলে ভিতরের অঙ্গগুলির তাপমাত্রা বেড়ে যাবে না। 
  • জল শরীরের তাপমাত্রা কমায়। একই সঙ্গে ডাবের জল, আখের রস, দইয়ের ঘোল, লস্যিও তাপমাত্রা কমায়। তাই এগুলিও খেতে পারেন এই সময়।

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯