তীব্র দাবদাহের কারণে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সারা দেশের হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তীব্র দাবদাহে হাসপাতালে ধারণক্ষমতার বেশি রোগী

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ২১ এপ্রিল ২০২৪, দুপুর ৩:৫২ সময় , আপডেট সময় : ২১ এপ্রিল ২০২৪, দুপুর ৩:৫২ সময়
তীব্র দাবদাহের কারণে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সারা দেশের হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দাবদাহের কারণে কোল্ড কেস (যাদের এখন ভর্তি হওয়ার দরকার নেই) রোগীদের এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি না করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাচ্চা ও বয়স্কদেরকে প্রয়োজন ছাড়া বাসার বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন ডা. সামন্ত লাল সেন। সেইসঙ্গে হাসপাতালগুলোকে প্রতিকূল পরিবেশের জন্য প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে, ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই দুই জেলায় বেশ কিছুদিন ধরেই তাপপ্রবাহ বেশি।

গতকাল যশোর জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ও শিশু ওয়ার্ডের মেঝে, বারান্দা—সব জায়গায় রোগী ছিলেন। ২৭৮ শয্যার হাসপাতালে গতকাল ৭০৩ জন রোগী ভর্তি ছিলেন, যা এযাবৎকালে সর্বোচ্চ।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা উম্মে ফারহানা জানান, ১০০ শয্যার সদর হাসপাতালে শুক্রবার ৩৬১ জন ভর্তি ছিলেন যার অধিকাংশই ছিলেন শিশু। 

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগের ৬ জেলায় ৩৪ হাজার ৯৩০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরের এপ্রিলের ২০ দিনে ডায়রিয়া নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৫ হাজার ৮২৬ জন। আর গত এক সপ্তাহে হয়েছেন ২ হাজার ৫২৩ জন।

প্রচণ্ড দাবদাহে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গরমজনিত রোগী ভর্তি বাড়ছে। গত শুক্রবার এই হাসপাতালে ৭০৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। 

পাবনা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ৩৮ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি ছিল ১৬১ জন। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগী রয়েছেন ৫৭ জন।
 
ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক শাহেদুর রহমান বলেন, এই সময়ে বহির্বিভাগের আসা রোগীর বেশির ভাগই সর্দি-জ্বর নিয়ে আসছেন। খুব জটিল না হলে ভর্তি রাখা হচ্ছে না। জ্বরের ধরন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবারের জ্বর ১০৩ থেকে ১০৫ পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে। মুখে খাওয়ার প্যারাসিটামলেও অনেক সময় জ্বর নামছে না বা নামলেও আবার একই মাত্রার জ্বর উঠছে। আইইডিসিআরের কাছে নমুনা পাঠানো হয়েছে ধরন বোঝার জন্য।

সম্প্রতি রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং আইসিডিডিআরবি এক যৌথ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে ইনফ্লুয়েঞ্জা (শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ) হয়। ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে জ্বর, কাশি, মাথাব্যথা, পেশি ও জয়েন্টে ব্যথা, খারাপ লাগা বোধ করা, গলাব্যথা ও নাক দিয়ে সর্দি ঝরার মতো লক্ষণ দেখা দেয়; অর্থাৎ ইনফ্লুয়েঞ্জা মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতি।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯