ভারত মহাসাগর থেকে অপহৃত সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর পিছু নিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) মেরিটাইম

জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজের পিছু নিয়েছে ইইউয়ের যুদ্ধজাহাজ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৪ মার্চ ২০২৪, দুপুর ৩:৩১ সময় , আপডেট সময় : ১৪ মার্চ ২০২৪, দুপুর ৩:৩১ সময়
ভারত মহাসাগর থেকে অপহৃত সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর পিছু নিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) মেরিটাইম সিকিউরিটি ফোর্সের একটি যুদ্ধজাহাজ। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ।

এর আগে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে জাহাজটি নিয়ন্ত্রণে নেয় সোমালিয়ার জলদস্যুরা। সে সময়ে জাহাজটি সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসু থেকে প্রায় ৭০০ মাইল দূরে ছিল। জাহাজে থাকা ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিক ও ক্রু বর্তমানে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি।

ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের উৎপাত এড়াতে এবং প্রতিহত করতে কাজ করে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অপারেশন আটলান্টা। এর অন্তর্ভুক্ত একটি জাহাজই ‘এমভি আবদুল্লাহকে’ ছায়ার মতো অনুসরণ করছে, এক বিবৃতিতে জানায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২৩ জনকে জিম্মি নিয়েছে জলদস্যুরা। সবাই নিরাপদে আছে। সোমালিয়ার তীরের দিকে যাচ্ছে জাহাজটি।

গতকাল বুধবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থান ছিল সোমালিয়া উপকূল থেকে ১৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে। এটি ক্রমশ উপকূলের দিকে যাচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ২৪ থেকে ৩০ ঘণ্টার মধ্যে জাহাজটি উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবে।

নাবিকদের সংগঠন বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএমওএ) সাধারণ সম্পাদক মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, ভেসেল ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট থেকে এমভি আবদুল্লাহর এ অবস্থান তারা জানতে পেরেছেন।

এর আগে ২৩ নাবিককে মুক্তি দিতে সোমালিয়ার জলদস্যুরা ৫০ লাখ ডলার মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে খবর পাওয়া যায়। শিগগিরই না দিলে তাদের একে একে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছেন তারা।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯