২০২৩ সালে ৬৯১১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৬৫২৪ জন। এ দুর্ঘটনার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হলো মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। গত বছর সারা

২০২৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরেছে ৬৫২৪ প্রাণ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৭ জানুয়ারী ২০২৪, দুপুর ৩:১১ সময় , আপডেট সময় : ২৭ জানুয়ারী ২০২৪, দুপুর ৩:১১ সময়
২০২৩ সালে ৬৯১১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৬৫২৪ জন। এ দুর্ঘটনার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হলো মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। গত বছর সারা দেশের তুলনায় ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বেশি ছিল।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) ধানমন্ডিতে সংবাদ সম্মেলনে ২০২৩ সালের সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর মোট ৬৯১১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৬৫২৪ জন এবং আহত ১১ হাজার ৪০৭ জন। সে অনুযায়ী নিহতদের মধ্যে সব চেয়ে বেশি পথচারী, এরপরই মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী। সড়কে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নির্মিত উঁচু স্পিড ব্রেকার মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনা বাড়ার মূল কারণ বলে মনে করছে সংগঠনটি।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ জানান, সড়ক দুর্ঘটনার কমাতে ১০টি সুপারিশ করা হয়েছে। এগুলো কার্যকর করা গেলে দুর্ঘটনার সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব। আর দুর্ঘটনার সংখ্যা কমলে হতাহতের সংখ্যাও কমে আসবে।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ জানিয়ে মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন-

১. ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন।
২. বেপরোয়া গতি।
৩. চালকদের অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা।
৪. চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা।
৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল।
৬. তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো।
৭. জনসাধারণের মধ্যে ট্র্যাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা।
৮. দুর্বল ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা।
৯. বিআরটিএর সক্ষমতার ঘাটতি।
১০. গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

দুর্ঘটনা রোধে ১০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন তিনি। সুপারিশগুলো হলো-

১. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে।
২. চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে।
৩. বিআরটিএ'র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।
৪. পরিবহন মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা রাস্তা (সার্ভিস লেন) তৈরি করতে হবে।
৬. পর্যায়ক্রমে সকল মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে।
৭. গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।
৮. রেল ও নৌ-পথ সংস্কার করে সড়ক পথের ওপর চাপ কমাতে হবে।
৯. টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন করতে হবে।
১০. "সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮" বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং সংস্থার নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করে বলে জানানো হয়।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯