চলতি বছরের শেষ নাগাদ চালু হতে যাচ্ছে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট। আর ২০২৫ সালের মধ্যেই চালু হবে

পরমাণু বিদ্যুৎ নিয়ে নতুন রেকর্ডের পথে বাংলাদেশ!

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ২৫ জানুয়ারী ২০২৪, দুপুর ১১:৪৫ সময় , আপডেট সময় : ২৫ জানুয়ারী ২০২৪, দুপুর ১১:৪৫ সময়
চলতি বছরের শেষ নাগাদ চালু হতে যাচ্ছে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট। আর ২০২৫ সালের মধ্যেই চালু হবে পুরো কেন্দ্র বা দুটি ইউনিট। বিজ্ঞান মন্ত্রণালয় বলছে, পারমাণবিক জ্বালানি আমদানির পর এখন কমিশনিং-এর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে মেগা এ পাওয়ার প্ল্যান্টটিকে। নির্মাতা দেশ রাশিয়াও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশকে প্রকল্পটি বুঝিয়ে দিতে পূর্ণ নিশ্চয়তা দিচ্ছে। এতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ স্বল্পতম সময়ে জটিল এ প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে।

গত বছরে সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে শুরু হয় পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে আসার প্রক্রিয়া। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পরমাণু সংস্থা রোসাটমের তত্ত্বাবধানে ৭টি ধাপে ১৬৮টি ইউরেনিয়াম-এর অ্যাসেম্বলি পৌঁছে গেছে রূপপুরের প্রকল্প এলাকায় একেবারে ফ্রেশ ফুয়েল স্টোরেজ পর্যন্ত। এখন চলছে পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, আর জ্বালানি লোডিং-এর প্রস্তুতি।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পরমাণু সংস্থা রোসাটম-এর ডিজি অ্যালেক্সি লিখাচেভ বলেন, বিড়ম্বনার অনেক ধাপ পেরিয়ে প্রকল্পটি এখন সফলতার দ্বারপ্রান্তে। স্পর্শকাতর এমন স্থাপনায় জটিল পরিস্থিতি কীভাবে এড়াবে বাংলাদেশ। এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কোনো চ্যালেঞ্জেই রূপপুর ছেড়ে যাবে না রাশিয়ার একজন কর্মীও।

অ্যালেক্সি লিখাচেভ বলেন, ‘প্রকল্প এলাকায় পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছানোর অর্থই হলো, বড় আকারে স্টার্ট-আপ কর্মসূচির জন্য এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতির সময় হয়ে গেছে। কমিশনিং-এর আগে সুক্ষ্ম যন্ত্রপাতিগুলোর অন্তত দেড় হাজার পরীক্ষা চালানো হবে। গেলো কয়েক বছর অনেক চাপের মধ্যদিয়ে পার হলেও, সব কাজেই চ্যালেঞ্জ থাকে এবং থাকবেও। তবে কোনো অবস্থাতেই এ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পেছনে ফিরে আসার আর সুযোগ নেই।’

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী  স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বললেন, কাজ চলছে সূচি মাফিক। এই ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা বেশ কঠিন কাজ। এটা গালগল্প করার কোন জিনিস না। এটা সত্যি এখন আমরা পরমাণু বিদ্যুতের যুগে প্রবেশ করেছি। ২০২৪ সালেই প্রথম ইউনিট চালু হবে। আর ২০২৫ সালের মধ্যেই চালু হবে পুরো কেন্দ্র।’
 
রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় নির্মাণাধীন এ প্রকল্পটিতে ভিভিইআর প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের রিঅ্যাক্টর বা পরমাণু চুল্লি ব্যবহৃত হচ্ছে, যার প্রত্যেকটির উৎপাদন সক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াট করে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯