শিশুদের বয়স, সক্ষমতা ও শেখার চাহিদা অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৮ সালে নতুন শিক্ষাক্রম

২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য সরকারের: ববি হাজ্জাজ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৮ নভেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:২৪ সময় , আপডেট সময় : ৮ নভেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:২৪ সময়

শিশুদের বয়স, সক্ষমতা ও শেখার চাহিদা অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৮ সালে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের মধ্যেই দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের পুষ্টিকর খাবার বা মিড-ডে মিল নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।


সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সরকারের এসব পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। প্রতিমন্ত্রী জানান, নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের দায়িত্ব জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বয়স ও সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিখনফলভিত্তিক এবং শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই এর মূল লক্ষ্য। বিদ্যালয়ভেদে পাঠদানের সময়ের বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি প্রতিটি বিষয়ের পাঠদান ও শিক্ষণ উপকরণকে আরও সহজবোধ্য, বিজ্ঞানসম্মত ও আকর্ষণীয় করা হবে। নতুন পদ্ধতিতে শিশুরা যেন খেলতে খেলতেই আনন্দের সঙ্গে শিখতে পারে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ, ব্যবহারিক কার্যক্রম, গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা হবে।


অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে দেশব্যাপী মিড-ডে মিল কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু আছে। বাকি উপজেলাগুলোতে কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে নতুন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির কাজ চলছে। প্রতিমন্ত্রীর আশা, ২০২৭ সালের মধ্যেই দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।


খাবারের মান ও বিতরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মায়েদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে তদারকি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ এবং স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ চালুর পরিকল্পনাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর মতে, এটি শুধু শিক্ষকদের হাতে ট্যাব তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নয়; বরং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা। এর মাধ্যমে পাঠ্যসূচির অগ্রগতি এবং শিক্ষার্থীদের শেখার সমস্যাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।


এ ছাড়া দুর্গম এলাকার যেসব বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ নেই, সেখানে সৌরবিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঠ্যক্রম, শিক্ষক, তদারকি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, শুধু বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে এসে প্রকৃত অর্থে শিখছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯