কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখকে ফরিদপুরের নিজ গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে তাঁর মরদেহ নগরকান্দার লস্করদিয়া গ্রামে পৌঁছালে সেখানে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এর আগে কক্সবাজারের রামু সেনানিবাসে তিতাস শেখের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হেলিকপ্টারে করে তাঁর মরদেহ ফরিদপুরে নেওয়া হয়। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
তিতাসকে শেষবারের মতো দেখতে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাঁর বাড়িতে ভিড় করেন। পুরো গ্রামজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। স্বজনদের পাশাপাশি এলাকার মানুষের মধ্যেও শোকের আবহ বিরাজ করে। শুক্রবার বিকেলে লস্করদিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। তিতাস শেখ অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আফজাল শেখের দ্বিতীয় সন্তান। ২০১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তাঁর ছোট ভাই আকরাম শেখও সেনাবাহিনীতে কর্মরত।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকেলে টেকনাফের নীলা ইউনিয়নে যৌথবাহিনীর একটি অভিযান চলাকালে মানবপাচার চক্রের সদস্যরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। জবাবে যৌথবাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন সেনাসদস্য তিতাস শেখ। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।