ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে একটি পুলিশ ফাঁড়ির ভেতর থেকে জাহাঙ্গীর আলম (৫২) নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে

আশুগঞ্জে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে এসআইয়ের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ৪ নভেম্বর ২০২৬, বিকাল ৬:৫৭ সময় , আপডেট সময় : ৪ নভেম্বর ২০২৬, বিকাল ৬:৫৭ সময়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে একটি পুলিশ ফাঁড়ির ভেতর থেকে জাহাঙ্গীর আলম (৫২) নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের (এপিএসসিসিএল) পুলিশ ফাঁড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জাহাঙ্গীর আলম পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ওই ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার পূর্ব খাবাশপুর এলাকায়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, নিজের নামে বরাদ্দ করা পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি চালিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে তাঁর ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটিও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের নিয়ম অনুযায়ী বুধবার ভোরে ফজরের নামাজ আদায় করে হাঁটতে বের হয়েছিলেন এসআই জাহাঙ্গীর। হাঁটা শেষে তিনি ফাঁড়িতে ফিরে যান। এর কিছুক্ষণ পর সেখানে গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে ফাঁড়ির ভেতরে গিয়ে স্থানীয় লোকজন মেঝেতে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় মরদেহের পাশেই একটি পিস্তল পড়ে ছিল। ঘটনার খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আরাফাতুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম, আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

 আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান জানান, জেলা পুলিশের আওতাধীন এপিএসসিসিএল এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে। প্রায় দেড় থেকে দুই মাস আগে এসআই জাহাঙ্গীর আলম সেখানে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর নামে একটি সরকারি পিস্তল বরাদ্দ ছিল। ওই অস্ত্র ব্যবহার করেই তিনি মাথার বাঁ পাশে গুলি চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলামও প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার পেছনের কারণ উদ্‌ঘাটনে নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। পাশাপাশি পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯