জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এতে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ভোগান্তি বেড়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৪৩ কোটি ঘনফুট কমে যায়। পেট্রোবাংলার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টায় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২৫৪ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দেশের নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে ১৫৬ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট এবং আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) থেকে ৯৭ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছিল।
সামিট এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় আমদানিনির্ভর গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে দেশের বিভিন্ন খাতে। বিশেষ করে শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম এবং আবাসিক পর্যায়ে গ্যাস ব্যবহারে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।