মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার মুখে পড়েছেন প্রশাসন ক্যাডারের ছয় কর্মকর্তা। এবার

জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি: দুদকের মামলার পর ৩ উপসচিবকে ওএসডি

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময় , আপডেট সময় : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার মুখে পড়েছেন প্রশাসন ক্যাডারের ছয় কর্মকর্তা। এবার তাঁদের মধ্যে তিন উপসচিবকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওএসডি করেছে সরকার। বুধবার রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ওএসডি করার বিষয়টি জানানো হয়।


ওএসডি হওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন জামালপুর অঞ্চলের জোনাল সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব নাহিদা বারিক। তাঁরা তিনজনই ২৯তম বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সরকারি নথিতে তাঁদের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পাওয়ার তথ্য থাকলেও দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। কমিশনের দাবি, বিসিএস পরীক্ষার সময় তাঁরা কেউই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি।


দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে কমিশন ওই তিন উপসচিবসহ মোট ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায়। বাকি তিন কর্মকর্তা বর্তমানে অন্য ক্যাডারে কর্মরত রয়েছেন। অনুসন্ধানে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ার পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষমতার অপব্যবহার, নথিপত্রে প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে পরস্পরের যোগসাজশে তাঁদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।


কমিশনের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রায় ছয় মাস পর ওই ছয় প্রার্থীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটায় প্রশাসন, পুলিশ, পরিবার পরিকল্পনা ও সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই মামলার ধারাবাহিকতায় এবার তিন উপসচিবের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলো। তবে ওএসডি করার সিদ্ধান্ত তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি নয়। অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার ওপর। ঘটনাটি সরকারি নিয়োগে কোটা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, নথিপত্র যাচাই এবং প্রশাসনিক জবাবদিহির বিষয়গুলোকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯