সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হুতিদের হামলার প্রভাবে কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ায় ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ১৩ হাজার ৪৯০ জন যাত্রী। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে ৩৬টি এবং সংযোগকারী বা ট্রানজিট ফ্লাইট ৫০টি। পরিস্থিতির কারণে যাত্রীদের যাত্রা, সংযোগকারী ফ্লাইট এবং পরবর্তী ভ্রমণ পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের পাঁচটি এবং রিয়াদ এয়ারের সাতটি ফ্লাইট রয়েছে। অর্থাৎ সরাসরি ফ্লাইট বাতিলের তালিকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। অন্যদিকে, বাতিল হওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ছয়টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ছয়টি, সালামএয়ারের চারটি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে। এসবের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাতিল হয়েছে ইন্ডিগোর ফ্লাইট।
ফ্লাইট বাতিলের কারণে যাত্রীদের নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা অন্য দেশের বিমানবন্দর হয়ে সৌদি আরবে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, তাঁদের সংযোগকারী ফ্লাইট ধরতে না পারা এবং নতুন করে ভ্রমণসূচি সাজানোর মতো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—দুই দিক থেকেই ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম সীমিত থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনার সময়সূচিও বদলাতে পারে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় সৌদিগামী যাত্রীদের বিমান সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সর্বশেষ ফ্লাইটের সময়সূচি জেনে নেওয়া জরুরি। যাত্রার আগে ফ্লাইট চালু আছে কি না, তা নিশ্চিত হলে বিমানবন্দরে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি এড়ানো সম্ভব হতে পারে।