আইএমএফের এক প্রদিবেদনে বলা হয়, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ৪০ শতাংশ চাকরিতে প্রভাব ফেলবে। ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড বা আইএমএফের নতুন এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সব ধরণের চাকরির প্রায় ৪০ শতাংশ হারিয়ে যাবে।
ওপেন এআই হল একটি মার্কিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গবেষণা সংস্থা যা ডিসেম্বর ২০১৫ সালে নিরাপদ এবং উপকারী কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
আইএমএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেছেন, “বেশির ভাগ পরিস্থিতিতে এআই সম্ভবত সামগ্রিকভাবে বৈষম্যকে আরো ভয়াবহ করবে। প্রযুক্তিকে প্রতিরোধ করতে নীতি নির্ধারকদের উচিত এই 'সংকটজনক প্রবণতা' নিয়ে আলোচনা করা।
আইএমএফ বলছে, এআই উন্নত অর্থনীতির একটা বৃহৎ অংশের চাকরিতে প্রভাব ফেলবে। এটা প্রায় ৬০ শতাংশের মতো। এআই-এর সে সব কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে যা এখন মানুষ করছে। এটা শ্রমের চাহিদা কমাতে পারে, মজুরিতে প্রভাব এবং এমনকি চাকরি চলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটাতে পারে।
আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয় যে, এই প্রযুক্তি স্বল্প আয়ের দেশে ২৬ শতাংশ চাকরিতে প্রভাব ফেলবে। আইএমএফের বিশ্বাস, এআই প্রযুক্তির কারণে নিম্ন আয় এবং বৃদ্ধ কর্মীরা পেছনে পড়ে যাবেন । ব্যাপক সামাজিক নিরাপত্তা জাল তৈরি করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কর্মীদের জন্য আবার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা দেশগুলোর জন্য খুবই কঠিন।
চ্যাটজিপিটির মতো অ্যাপ্লিকেশনের জনপ্রিয়তা বাড়ার পর এআই আলোচনায় আসে।বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি এই বর্ধিত নিয়ন্ত্রণের সম্মুখীন হচ্ছে। গত মাসে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের কর্মকর্তারা এআই-এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের প্রথম আইনের একটি অস্থায়ী চুক্তিতে পৌছেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের নভেম্বরে তৈরি হওয়ার পর সারা বিশ্বেই এখন চ্যাটজিপিটি নিয়ে একটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শুধু তার পরের জানুয়ারি মাসেই বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি মানুষ চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেছে।