ভারতে আটক আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবিতে একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের বট অ্যাকাউন্ট থেকে গালাগাল করা হচ্ছে: আসিফ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১২ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:১৩ সময় , আপডেট সময় : ১২ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:১৩ সময়

ভারতে আটক আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবিতে একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। কিন্তু তাঁর দাবি, সেই পোস্টটি এখন ভারতে দেখা যাচ্ছে না। শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ভারতীয় একটি রাজনৈতিক দলের স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গালাগাল করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। কেন ভারতে সীমাবদ্ধ করা হলো তাঁর পোস্টের প্রবেশাধিকার? আর এই ঘটনা ঘিরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কী প্রশ্ন তুললেন এনসিপির এই নেতা?


রোববার ১১ অক্টোবর রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সেখানে তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পাঠানো একটি নোটিশের স্ক্রিনশটও যুক্ত করেন। নিজের পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ভারতে আটক আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবিতে দেওয়া তাঁর একটি পোস্ট দেশটিতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি এক্সে ভারতীয় একটি রাজনৈতিক দলের স্বয়ংক্রিয় বা ভুয়া অ্যাকাউন্ট তাঁকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এনসিপির মুখপাত্র। নিজের বক্তব্যের শেষে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে লেখেন, ‘গণতন্ত্র দেশে দেশে!’ আসিফ মাহমুদের শেয়ার করা স্ক্রিনশট অনুযায়ী, ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ৭৯(৩)(বি) ধারার আওতায় ভারত সরকার বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দেওয়া নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা ওই নির্দিষ্ট পোস্টটির প্রবেশাধিকার ভারতে সীমাবদ্ধ করেছে। অর্থাৎ, তাঁর দাবির সঙ্গে যুক্ত নোটিশের তথ্য অনুযায়ী, পোস্টটি ভারতের ব্যবহারকারীদের জন্য ভৌগোলিকভাবে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।


তবে এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—ভারতে পোস্টটি সীমাবদ্ধ করার বিষয়ে আসিফ মাহমুদ যে তথ্য দিয়েছেন, তা তাঁর প্রকাশিত পোস্ট ও সংযুক্ত স্ক্রিনশটের ভিত্তিতে জানা গেছে। এ বিষয়ে মেটা বা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পৃথক বক্তব্য সংবাদে উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে এক্সে তাঁকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগের পক্ষেও স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্য প্রতিবেদনে দেওয়া নেই। সব মিলিয়ে, ভারতে আটক আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবিতে দেওয়া একটি পোস্টের প্রবেশাধিকার সীমিত করার অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনলাইন হয়রানির দাবি নতুন করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছে। এখন এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর থাকবে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯