একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই প্রাণ হারালেন ১১ জন! পশ্চিম তুরস্কের মহাসড়কে পর্যটকবাহী একটি বাসের সঙ্গে কাঠ বহনকারী টো ট্রাকের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন আরও ২৭ জন। দুর্ঘটনার পর দুটো যানবাহনই দুমড়েমুচড়ে উল্টে পড়ে থাকে। কিন্তু কীভাবে ঘটল এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, আর চালকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? পশ্চিম তুরস্কের মানিসা প্রদেশের গেবজে-ওরহানগাজী-ইজমির মহাসড়কে ঘটেছে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। সোমবার, ১২ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রোববার সকালে আকহিসারের একটি টোল বুথের কাছে পর্যটকবাহী বাসটির সঙ্গে কাঠ বহনকারী একটি টো ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থল ও পরবর্তী সময়ে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন ২৭ জন।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, বাসটির পেছনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যানটি উল্টে যায়। একইভাবে কাঠ বহনকারী টো ট্রাকটিও দুর্ঘটনাস্থলে উল্টে পড়ে থাকে। এদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পাওয়ার পরপরই বাসটির চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা রয়েছে।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তফা চিফতচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নিহতদের নিজ দেশের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে হতাহতদের মধ্যে কোনো বিদেশি নাগরিক রয়েছেন কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। দুর্ঘটনার পর মানিসা প্রদেশের গভর্নর ওয়াহদেত্তিন ওজকান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উদ্ধারকাজ ও দুর্ঘটনার পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
সব মিলিয়ে, তুরস্কের এই ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জনের প্রাণহানি এবং ২৭ জনের আহত হওয়ার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এখন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং দায় নির্ধারণের দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।