শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ, তখন দলের হাল ধরলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তাঁর ব্যাটে ফিফটি, সঙ্গে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর দায়িত্বশীল সঙ্গ—সব মিলিয়ে আবুধাবি টেস্টে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর পথে টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে পাওয়া ১০৬ রানের লিডকে কাজে লাগিয়ে এবার প্রতিপক্ষের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করানোর অপেক্ষায় বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুতেই ধাক্কা খায় দল। দলীয় ৩১ রানে ২২ বলে ১৩ রান করে আউট হন ওপেনার সাদমান ইসলাম। এরপর দলীয় সংগ্রহ ৫৩ রানে পৌঁছানোর আগেই আরও দুটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মুমিনুল হক মাত্র ৭ রান করে ফিরে যান। অন্য ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। অল্প সময়ের ব্যবধানে তিনটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
এমন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন মুশফিকুর রহিম। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে সঙ্গে নিয়ে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সামাল দিতে শুরু করেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। দায়িত্বশীল ও সাবলীল ব্যাটিংয়ে তুলে নেন নিজের অর্ধশতক। টেস্ট ক্রিকেটে এটি মুশফিকুর রহিমের ৩০তম ফিফটি, যা তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।
অন্য প্রান্তে অধিনায়ক শান্তও মুশফিককে ভালো সঙ্গ দিচ্ছেন। তাঁদের এই জুটি বাংলাদেশের ইনিংসকে স্থিতিশীল করেছে এবং দলকে বড় লিডের পথে এগিয়ে দিয়েছে। প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩৮ ওভারে ৩ উইকেটে ১৩৬ রান। প্রথম ইনিংসের ১০৬ রানের লিডসহ সব মিলিয়ে বাংলাদেশের মোট ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ২৪২ রানে।
তবে ইনিংস এখনো চলমান থাকায় বাংলাদেশের চূড়ান্ত লিড কত বড় হবে, তা নির্ভর করছে মুশফিক ও শান্তর ব্যাটিং এবং পরবর্তী ব্যাটারদের পারফরম্যান্সের ওপর। শুরুতে ধাক্কা সামলে এই জুটি যেভাবে দলকে এগিয়ে নিচ্ছে, তাতে ম্যাচে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।