যুক্তরাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি থেকে হঠাৎ করে কেন সরিয়ে নেওয়া হলো এক ডজনেরও বেশি মার্কিন কৌশলগত বোমারু বিমান?

‘নিরাপত্তা হুমকির’ ঝুঁকিতে যুক্তরাজ্য থেকে বিমান ঘাঁটি সরানোর কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৬ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫২ সময় , আপডেট সময় : ৬ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫৪ সময়

যুক্তরাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি থেকে হঠাৎ করে কেন সরিয়ে নেওয়া হলো এক ডজনেরও বেশি মার্কিন কৌশলগত বোমারু বিমান? এই সিদ্ধান্তের পেছনে এবার সরাসরি নিরাপত্তা হুমকির কথা নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ঘাঁটিতে সম্ভাব্য হামলার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পরই ঝুঁকি কমাতে বিমানগুলো নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


সোমবার ৫ অক্টোবর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প জানান, যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন বোমারু বিমানগুলো কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্তে সরানো হয়নি। বরং ঘাঁটিতে হামলার আশঙ্কা সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে রোববার পেন্টাগনের নির্দেশনায় ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে অন্তত এক ডজন বি-১বি কৌশলগত বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, এগুলো কোনো কারণ ছাড়াই উড়ে যায়নি। নির্দিষ্ট হুমকি ছিল বলেই বিমানগুলো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা থেকে সাময়িকভাবে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই হুমকির পেছনে কারা জড়িত সে বিষয়ে ওয়াশিংটন অবগত। তবে তিনি কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা দেশের নাম প্রকাশ করেননি। লন্ডন থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন দূরপাল্লার বোমারু বিমান কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইউরোপে মার্কিন বোমারু বিমান অভিযানের অন্যতম প্রধান ঘাঁটি ছিল এটি।


এর মধ্যেই ঘাঁটিটিকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বাড়তে থাকে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিমানঘাঁটির আশপাশে বিস্ফোরক পুঁতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করে ব্রিটিশ পুলিশ। পরে তাদের গাড়িতে পেট্রোল পাওয়া গেলেও বিস্ফোরক না পাওয়ায় অভিযোগ ছাড়াই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ইরানও ওই হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ অস্বীকার করে। তবে ঘটনার কয়েক দিন পর পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে। গত বৃহস্পতিবার লন্ডনে ২৫ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিককে বিমানঘাঁটিতে হামলার পরিকল্পনা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে ব্রিটিশ সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ।


এর পরপরই ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন বোমারু বিমানগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দেয়। শেষ পর্যন্ত সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পেন্টাগন। অর্থাৎ, ফেয়ারফোর্ড থেকে মার্কিন বোমারু বিমান প্রত্যাহারের পেছনে কোনো সাধারণ সামরিক পুনর্বিন্যাস নয়, বরং সম্ভাব্য হামলার নির্দিষ্ট নিরাপত্তা তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।


সূত্র: বিবিসি।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯