ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আলামত নিষ্পত্তি শাখায় দায়িত্ব পালন করা এক পুলিশ সদস্য এবার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন।

মাদক ধ্বংসের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য ১৭৯০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৩০ সময় , আপডেট সময় : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৩০ সময়

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আলামত নিষ্পত্তি শাখায় দায়িত্ব পালন করা এক পুলিশ সদস্য এবার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবা। একইসঙ্গে মাদক বিক্রির নগদ টাকা ও একটি স্মার্টফোনও জব্দ করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশ সদস্যের নাম মো. রেজাউল করিম। তার বয়স ৪৫ বছর। তিনি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আলামত নিষ্পত্তি শাখায় কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।


পুলিশ জানায়, রোববার ২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর সূত্রাপুর থানার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের একটি দোকানে অভিযান চালায় অপরাধ তদন্ত বিভাগের ঢাকা মেট্রো-দক্ষিণের একটি বিশেষ অভিযানকারী দল। দোকানটির নাম ‘বিসমিল্লাহ বিরানি ঘর’। সেখানে অভিযান চালানোর সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রেজাউল করিম পালানোর চেষ্টা করেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। পরে অভিযানকারী দল তাকে আটক করে।


আটকের পর তার পরা প্যান্টের পকেট তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির সময় সেখান থেকে ১৭৯ গ্রাম ওজনের ১ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া এসব ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। শুধু ইয়াবাই নয়, তার কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং একটি ভিভো স্মার্টফোনও জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন মাদক ব্যবসার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা কীভাবে এবং কতদিনের—সেসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া মাদক কোথা থেকে এসেছে এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তদন্তে সেসব বিষয়ও সামনে আসতে পারে।


আদালতের আলামত নিষ্পত্তি শাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্ব পালন করা একজন পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে এত বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ থেকে রেজাউল করিমকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানানো হয়েছে।


এখন তদন্তকারীদের সামনে মূল প্রশ্ন—উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো তার কাছে কীভাবে এলো, তিনি একাই এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না এবং এর পেছনে আরও কোনো মাদকচক্র রয়েছে কি না। তদন্তে এসব প্রশ্নের উত্তরই বেরিয়ে আসবে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯