জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকায় রাতের অন্ধকারে এক যুবককে ঘিরে হঠাৎ উত্তেজনা। ককটেল ও ব্যানার-পোস্টার বহনের সন্দেহে তাকে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময় , আপডেট সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকায় রাতের অন্ধকারে এক যুবককে ঘিরে হঠাৎ উত্তেজনা। ককটেল ও ব্যানার-পোস্টার বহনের সন্দেহে তাকে আটক করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।


আটক যুবকের নাম মো. সুমন খান মিরাজ। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখার বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক পদে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তার পরিচয় ও সাংগঠনিক পদ সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকায় জবি ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন। এ সময় ওই যুবককে মুঠোফোনে অন্য একজনের সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়।


উপস্থিত শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই যুবক ককটেল ও ব্যানার-পোস্টার নিয়ে আসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার লাগানোর বিষয়ে কথা বলছিলেন। বিষয়টি শুনতে পেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে ওই যুবক সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার মুঠোফোন পরীক্ষা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিলের ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন আটকের সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীরা। তবে তার কাছে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি বলেও তারা জানান।


আটকের পর মো. সুমন খান মিরাজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষে রাখা হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক আহ্বায়ক সদস্য দাবি করেন, তারা ক্যাম্পাসে অবস্থান করার সময় ওই যুবককে ফোনে বলতে শুনেছেন, আশপাশে কেউ নেই এবং ককটেল ও পোস্টার নিয়ে আসতে হবে। বিষয়টি শুনে তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে তার ফোনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিলের ভিডিও পাওয়া যায় বলে ওই নেতা দাবি করেন।


তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হলে আটক যুবককে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম রবিউল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, আটক মো. সুমন খান মিরাজের স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালীর বদরপুরে। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ এখনো জানা যায়নি।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯