গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের ঐতিহাসিক প্লাকা এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর একটি দুইতলা ভবন ধসে পড়ে ছয়জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার

গ্রিসে ভবন ধসে নিহত ৬, চারজনই মার্কিন নাগরিক

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৩৩ সময় , আপডেট সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৩৩ সময়

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের ঐতিহাসিক প্লাকা এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর একটি দুইতলা ভবন ধসে পড়ে ছয়জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর সকালে বিস্ফোরণের পর ভবনটি ধসে পড়লে হতাহতের ঘটনা ঘটে। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ধ্বংসস্তূপ থেকে সর্বশেষ দুজনের মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের সংখ্যা ছয়ে পৌঁছায়।


উদ্ধারকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে চারজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা নথি ও ব্যক্তিগত সামগ্রীর মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। নিহত অপর দুজন ছিলেন ভবনটির দ্বিতীয় তলায় বসবাসকারী এক বয়স্ক দম্পতি। তাদের মধ্যে একজন ব্রিটিশ পুরুষ এবং অন্যজন গ্রিক নারী।


বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভবনটির আশপাশের বেশ কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশের একটি ভবনের দুই নারী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের কয়েকটি ভবন থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে উদ্ধারকারীরা বিশেষ প্রশিক্ষিত সদস্যদের পাশাপাশি উদ্ধারকারী কুকুর, ভূকম্পন শনাক্তকারী যন্ত্র এবং বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালানোর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে সর্বশেষ দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


প্রাথমিকভাবে গ্যাসের সংযোগে ত্রুটি বা গ্যাস লিকেজকে বিস্ফোরণের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এখনো বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। এথেন্সের মেয়র হারিস দুকাস জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ক্ষয়ক্ষতি পুরো সড়কজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পাশের আরও দুটি ভবন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলো ভেঙে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নিহত চার মার্কিন নাগরিক ওই এলাকায় পর্যটক হিসেবে অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার সকালে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার কথা ছিল।


এদিকে প্লাকা এলাকার বাসিন্দাদের একটি সংগঠন দাবি করেছে, প্রায় এক বছর আগে তারা এলাকায় গ্যাস লিকেজ এবং বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিল। তবে আগের সতর্কবার্তার সঙ্গে এই বিস্ফোরণের কোনো সরাসরি সম্পর্ক ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯