সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে দানের টাকা গণনা ঘিরে আবারও সামনে এসেছে বড় অঙ্কের অর্থের হিসাব। ঐতিহাসিক ডেগ

শাহজালাল মাজারে এবার মিলল ৮৯ লাখ টাকা ও স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৬ সময় , আপডেট সময় : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৬ সময়

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে দানের টাকা গণনা ঘিরে আবারও সামনে এসেছে বড় অঙ্কের অর্থের হিসাব। ঐতিহাসিক ডেগ ও নতুন করে স্থাপন করা দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে পাওয়া গেছে ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা। শুধু দেশীয় মুদ্রা নয়, এর সঙ্গে মিলেছে স্বর্ণালংকার এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রাও। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মাজার প্রাঙ্গণে দানের ডেগ ও দানবাক্স খোলা হয়। এরপর প্রকাশ্যে শুরু হয় টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী গণনা। প্রায় নয় ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে শেষ হয় গণনার কাজ।


মাজার কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, বাংলাদেশি টাকার পাশাপাশি দানবাক্স থেকে ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি ওজনের স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পাওয়া গেছে ব্রিটিশ ৫ পাউন্ড, ভারতীয় ৩ হাজার ৯৫৪ রুপি, থাইল্যান্ডের ৫ বাথ, সৌদি আরবের ৯৯ দশমিক ২৫ রিয়াল, মালয়েশিয়ার ২৯ রিঙ্গিত, ৮ মার্কিন ডলার, ওমানের ৯০৩ রিয়াল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫৭ দশমিক ২৫ দিরহামসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।


এর পাশাপাশি ইরাক, কাতার, বাহরাইন, পাপুয়া নিউগিনি, চীন ও ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রাও পাওয়া গেছে। গণনার সময় কয়েকটি চিঠিও উদ্ধার করা হয়। জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের উপস্থিতিতে শুরু হওয়া এই গণনা পরিচালিত হয় ১৩ সদস্যের একটি কমিটির তত্ত্বাবধানে। ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের উপস্থিতিতে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা টাকা গণনার কাজে অংশ নেন।


মাজারে দান হিসেবে পাওয়া গরু-ছাগলেরও হিসাব দেওয়া হয়েছে। ছয়টি গরু ও ১১১টি ছাগলের মধ্যে পাঁচটি গরু ও ৭০টি ছাগল লঙ্গরখানার খাবারের জন্য জবাই করা হয়েছে। ৪০টি ছাগল বিক্রি করে লঙ্গরখানার কর্মীদের মজুরি দেওয়া হয়েছে। আর একটি গরু ও একটি ছাগল দরিদ্র দুই মেয়ের বিয়ের জন্য দান করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এবারকার ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা যোগ হওয়ার পর চার দফায় মাজারের দানবাক্স থেকে পাওয়া মোট অর্থ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২৯ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪০ টাকা।


এর আগে ২২ জুন প্রথম দফায় পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। আর ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় পাওয়া যায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা। মাজারের দানের টাকা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গত ২৬ জুন ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এরপর থেকে নিয়মিত বিরতিতে প্রকাশ্যে দানের টাকা গণনা করা হচ্ছে। গণনা শেষে এবার পাওয়া অর্থ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাজারের নামে সোনালী ব্যাংকে খোলা হিসাবে জমা রাখার কথা রয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯