মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার পর জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যখন নানা আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তখন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মৈত্রী পাইপলাইন আবারও

মৈত্রী পাইপলাইনে ভারত থেকে দেশে এলো ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময় , আপডেট সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময়

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার পর জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যখন নানা আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তখন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মৈত্রী পাইপলাইন আবারও আলোচনায়। এবার এই পাইপলাইন দিয়ে বাংলাদেশে এসেছে প্রায় ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল। পার্বতীপুরে পৌঁছানো এই চালানটি কত নম্বর এবং এর মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট কত জ্বালানি দেশে এসেছে—সেটিও সামনে এসেছে। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন বা ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল দেশে এসেছে। দিনাজপুরের পার্বতীপুর রিসিভিং টার্মিনাল ডিপোতে পৌঁছেছে এই জ্বালানি। এটি পাইপলাইনের ৭২তম চালান।


জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় এই চালানের সরবরাহ শুরু হয়। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর তা শেষ হয়। পার্বতীপুর রেল ডিপোর পরিচালন ব্যবস্থাপক মো. রবিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০১৮ সালে করা দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী, ১৫ বছরে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করার কথা রয়েছে।


২০২৩ সালের মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে পাইপলাইনটি চালু হয়। এরপর থেকে সর্বশেষ এই চালানসহ এখন পর্যন্ত এর মাধ্যমে বাংলাদেশে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ১০ লাখ মেট্রিক টন উচ্চগতির ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে। ফলে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে।


এর আগে চলতি বছরের মার্চে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই সময় বাংলাদেশ এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ১৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করে। এরপর এপ্রিল, মে ও জুলাই মাসেও ভারত থেকে পরিশোধিত ডিজেল আনা হয়। ওই তিন মাসে যথাক্রমে ২৫ হাজার, ৮ হাজার এবং ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করে বাংলাদেশ।


পরে গত আগস্টে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ। সেই অনুরোধের পরই এবার নতুন করে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের চালান দেশে এলো। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশ বিকল্প ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে মৈত্রী পাইপলাইনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। আর সর্বশেষ চালানটি সেই ধারাবাহিকতায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯