মাত্র তিন ঘণ্টায় শেষ প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেজি মেহেদি! বিয়ের আশায় ভারতের একটি মন্দিরে এমনই অভূতপূর্ব ভিড়

মন্দিরের মেহেদি পরলে এক বছরের মধ্যে বিয়ে নিশ্চিত, তিন ঘণ্টায় শেষ ৩৫০০ কেজি

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৩৪ সময় , আপডেট সময় : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৩৪ সময়

মাত্র তিন ঘণ্টায় শেষ প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেজি মেহেদি! বিয়ের আশায় ভারতের একটি মন্দিরে এমনই অভূতপূর্ব ভিড় দেখা গেছে, যেখানে প্রচলিত বিশ্বাস—মন্দিরের বিশেষ মেহেদি হাতে পরলে এক বছরের মধ্যেই বিয়ে হয়ে যেতে পারে। আর এই বিশ্বাসেই হাজার হাজার মানুষ ছুটে গেলেন জয়পুরের বিখ্যাত মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিঞ্জারা উৎসব উপলক্ষে মন্দিরে বিশেষ মেহেদি বিতরণের আয়োজন করা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভারতের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা সেখানে জড়ো হতে শুরু করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই মেহেদি বিতরণ শুরু করতে হয় মন্দির কর্তৃপক্ষকে।


ভক্তদের কাছে এই মেহেদির রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, যাদের বিয়েতে বাধা রয়েছে, তারা মন্দিরের এই মেহেদি হাতে পরলে এক বছরের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত জীবনসঙ্গী পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সেই বিশ্বাস থেকেই এবার মেহেদি নিতে মানুষের ঢল নামে। মন্দিরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের বরাতে জানা গেছে, মাত্র তিন ঘণ্টায় প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কেজি মেহেদি বিতরণ করা হয়। দিল্লি, চণ্ডীগড়সহ ভারতের বিভিন্ন শহর থেকে ভক্তরা মেহেদি নিতে সেখানে পৌঁছান। তাদের অনেকে আবার আগের রাতেই মন্দিরের আশপাশে এসে অবস্থান নেন।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মন্দিরের বাইরে মানুষের দীর্ঘ সারি। বিপুল ভিড়ের কারণে আশপাশের এলাকায় যান চলাচলও ব্যাহত হয়। এমনকি মন্দির প্রাঙ্গণে ধাক্কাধাক্কি ও ঠেলাঠেলির ঘটনাও ঘটে। ভিড়ের মধ্যে মহারাষ্ট্রের এক নারী ভক্ত অচেতন হয়ে পড়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা ও রসিকতা। কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, এত মানুষ যখন বিয়ের আশায় মেহেদি নিতে ছুটছেন, তখন তাদের জীবনে বিয়ের পর্ব কবে আসছে? আবার কেউ বলেছেন, বিয়ের আগে নিজের ভবিষ্যৎ ও প্রস্তুতির দিকেও নজর দেওয়া দরকার।


গণেশ চতুর্থীকে কেন্দ্র করে পালিত হয় সিঞ্জারা উৎসব। সারা বছরই মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে ভক্ত ও পর্যটকদের ভিড় থাকে। তবে উৎসবের সময় সেখানে মানুষের উপস্থিতি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আর বিয়ে নিয়ে প্রচলিত লোকবিশ্বাসের কারণে বিশেষ মেহেদি বিতরণের দিন মন্দিরে এবার তৈরি হয় নজিরবিহীন জনসমাগম।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯