মন্ত্রিসভায় নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদনের প্রায় দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও এখনো জারি হয়নি সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত

পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে আর কত দিন

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৫০ সময় , আপডেট সময় : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৫০ সময়

মন্ত্রিসভায় নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদনের প্রায় দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও এখনো জারি হয়নি সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন। অনুমোদনের পর দ্রুত গেজেট প্রকাশের আশা করা হলেও, প্রজ্ঞাপনের খসড়াই এখনো আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়নি। ফলে নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রজ্ঞাপনের খসড়া বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। অনুমোদিত বেতন কাঠামোর সারাংশ আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আগামী বুধবারের মধ্যে ভেটিং শেষ করা সম্ভব হলে চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই গেজেট প্রকাশ হতে পারে। তবে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হলে সময় আরও পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের জন্য সম্ভাব্য তিনটি তারিখ নিয়েও আলোচনা চলছে—১৭, ২১ অথবা ২২ সেপ্টেম্বর। তবে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গেজেট প্রকাশের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। একাধিক সম্ভাব্য সময় নিয়ে আলোচনা চলছে। ভেটিং শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


অন্যদিকে আইন মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, এখনো পে স্কেলের খসড়া তাদের হাতে পৌঁছায়নি। যদিও গত সপ্তাহে দ্রুত খসড়া পাঠানোর কথা শোনা গিয়েছিল, বাস্তবে তা এখনো পাঠানো হয়নি। সাবেক আমলারা অবশ্য বলছেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর সরাসরি গেজেট প্রকাশ করা যায় না। এর আগে বেশ কিছু প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। প্রজ্ঞাপনে শুধু বেতন বাড়ানোর বিষয় নয়, কোন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী কীভাবে নতুন কাঠামোর আওতায় আসবেন, তার বিস্তারিত নির্দেশনাও উল্লেখ করতে হয়।


এ ছাড়া সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা কীভাবে কার্যকর হবে, সেটিও প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করতে হয়। এরপর খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে আইনি যাচাই করা হয়। সংবিধান, চাকরিসংক্রান্ত আইন ও বিধির সঙ্গে কোনো অসঙ্গতি আছে কি না, পাশাপাশি ভাষা ও আইনি পরিভাষায় অস্পষ্টতা রয়েছে কি না—এসব বিষয়ও পরীক্ষা করা হয়। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে চূড়ান্ত খসড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ে ফিরে আসে এবং পরে সরকারি মুদ্রণালয়ে পাঠানো হয়।


উল্লেখ্য, সর্বশেষ জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা হয়েছিল ২০১৫ সালে। ওই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর অষ্টম পে স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়ার পর ১৫ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছিল। অর্থাৎ, দীর্ঘ ১০ বছর পর নতুন পে স্কেল অনুমোদন পেলেও এখন সরকারি চাকরিজীবীদের অপেক্ষা শুধু প্রজ্ঞাপনের জন্য। আর সেই অপেক্ষার অবসান ১৭, ২১ নাকি ২২ সেপ্টেম্বর—এখন সেদিকেই নজর সবার।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯