দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে সামনাসামনি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ চ্যালেঞ্জ জানান।
রাশেদ খাঁন বলেন, এসব অভিযোগ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আসিফ মাহমুদ তার মুখোমুখি বসলে তিনি কথিত অনিয়ম ও দুর্নীতির যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরতে পারবেন বলে দাবি করেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত দুবাই সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, ওই সফরের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, এসব অভিযোগ বর্তমান সরকারের সময়ে নয়, বরং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই সামনে এসেছিল। সে সময় দুর্নীতি দমন কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করে থাকলে আসিফ মাহমুদের সহকারী একান্ত সচিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান হলেও তার বিরুদ্ধে তদন্তে কেন বাধা দেওয়া হয়েছিল, সেটি প্রশ্নের বিষয়।
রাশেদ খাঁনের দাবি, তখনই যদি অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও নিষ্পত্তি করা হতো, তাহলে বর্তমানে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হতো না। সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাব ও জাতীয় নাগরিক পার্টির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনগুলোর প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। দলের শীর্ষ নেতাদের সেখানে অনুপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, নিজেদের বিতর্কের বাইরে রাখতে জ্যেষ্ঠ নেতারা কি ইচ্ছাকৃতভাবে আসিফ মাহমুদের পাশে দাঁড়ানো থেকে বিরত থাকছেন?
জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও দাবি করেন, দুর্নীতির অভিযোগের কারণে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অনুরোধ করলেও জামায়াতে ইসলামীর আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে রাজি হননি। একই ধরনের পরিস্থিতি সামনে রেখে আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।