ধর্মকে পুঁজি করে দেশে অশান্তি ও বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা ব্যক্তিদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও

ধর্মকে পুঁজি করে যারা দেশকে বিভক্তি করতে চায় তাদের প্রতিরোধ করা হবে

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১০:১০ সময় , আপডেট সময় : ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১০:১০ সময়

ধর্মকে পুঁজি করে দেশে অশান্তি ও বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা ব্যক্তিদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, ধর্মকে ব্যবহার করে সস্তা রাজনীতির মাধ্যমে যারা বাংলাদেশকে বিভক্ত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। শুক্রবার দুপুরে যশোর শহরের টাউন হল ময়দানে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি মহল ধর্মকে ব্যবহার করে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি এবং বিভেদের রেখা টানার চেষ্টা করছে। কেউ কেউ ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এভাবে ধর্মকে রাজনীতির গুটি বানিয়ে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দলেরই নেতা হোক কিংবা যে ধর্মেরই অনুসারী হোক, ধর্মকে পুঁজি করে যারা অশান্তি সৃষ্টি বা বাংলাদেশকে বিভক্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি সামাজিকভাবেও তাদের বয়কট করা হবে।


ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে দেশের কোনো মানুষ যাতে বঞ্চিত না হন, সরকার তা নিশ্চিত করছে বলেও জানান অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ধর্ম মানুষের বিশ্বাস ও চেতনার বিষয়। কোনো ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে তিনি সমাজে পিছিয়ে থাকবেন না, আবার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ অতিরিক্ত সুবিধাও পাবেন না—সরকার এ ভারসাম্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর যে প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ সামনে এগিয়ে যাচ্ছে, দেশে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি করতে পারলে সেই আশা অবশ্যই বাস্তবে রূপ নেবে।


জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু এবং যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দ মহারাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


আলোচনা সভা শেষে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। পরে টাউন হল ময়দান থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের দড়াটানা ও গাড়িখানা এলাকা ঘুরে আবার টাউন হল ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। এতে হাজারো মানুষ অংশ নেন। জেলার বিভিন্ন মন্দির, মঠ ও পূজামণ্ডপেও দিনভর জন্মাষ্টমীর নানা ধর্মীয় আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এসব আয়োজনে শোভাযাত্রা, গীতাযজ্ঞ, কীর্তন, আরতি, প্রসাদ বিতরণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি এই উৎসব দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও শক্তিশালী করবে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯