সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন। কারা অধিদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পাওয়ার পর তার কারামুক্তির পথ তৈরি হয়।
এর আগে পৃথক আটটি মামলায় জামিন পেয়েছিলেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। তবে বনানী থানার ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য গত ২ জুলাই আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। পরে আদালতের অনুমতির পর ৮ জুলাই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ২৭ জুলাই নিম্ন আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। এরপর তিনি উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন। শুনানি শেষে ১০ আগস্ট হাইকোর্ট তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। সেই জামিনের ধারাবাহিকতায় বুধবার তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মহাখালীর সেতু ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে শাহবাগের দিকে যাওয়ার পথে তাদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়াসহ অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। পরে আহত উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি করেন।