প্রায় তিন দশক পর ফ্রান্সের সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রীর এক স্বীকারোক্তিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ।

নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস, বিতর্কে ফ্রান্সের ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৪:৪২ সময় , আপডেট সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৪:৪২ সময়

প্রায় তিন দশক পর ফ্রান্সের সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রীর এক স্বীকারোক্তিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ। তার দাবি, স্বাগতিক দলের প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত এড়াতে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে জাতীয় দলের ওপর আকস্মিক ডোপিং পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি এক প্রামাণ্যচিত্রে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলের ওপর আকস্মিক ডোপিং পরীক্ষা চালানো না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অথচ এক দশকেরও বেশি সময় আগে সংসদীয় তদন্তে তিনি এমন কোনো নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন।


তার ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় সরকার ও দেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল। জাতীয় দলের অনুশীলন ও প্রস্তুতি যেন ব্যাহত না হয়, সেই বিবেচনায় আকস্মিক পরীক্ষার কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। তৎকালীন পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা এক চিকিৎসকও দাবি করেছেন, বিশ্বকাপের আগে স্বাগতিক দলকে আর আকস্মিক পরীক্ষার আওতায় না আনার মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। লিখিত কোনো নির্দেশ ছিল না, কারণ বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।


পরে ওই চিকিৎসকের বক্তব্যের পর সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রীও স্বীকার করেন, এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবেই নেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেন, এটি এককভাবে তার সিদ্ধান্ত ছিল না; সরকারের উচ্চপর্যায় থেকেও এ বিষয়ে সম্মতি ছিল। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর অবশ্য অবস্থান বদলায়। পরবর্তীতে ফ্রান্সে ডোপিংবিরোধী আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন একই সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী। তার ভাষায়, বিশ্বকাপ শেষে ডোপিংবিরোধী কার্যক্রম নতুন উদ্যমে শুরু করা হয়।


১৯৯৮ সালের সেই আসরে স্বাগতিক ফ্রান্স প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। ফাইনালে তারা ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে ইতিহাস গড়ে। তবে প্রায় ৩০ বছর পর প্রকাশিত এই স্বীকারোক্তি সেই সাফল্যকে ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফুটবল অঙ্গনে এখন প্রশ্ন উঠছে, টুর্নামেন্টের আগে আকস্মিক ডোপিং পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কতটা ন্যায্য ছিল এবং এর প্রভাব কতদূর বিস্তৃত হয়েছিল।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯