ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিরত থাকার ইঙ্গিত এবং সম্ভাব্য কূটনৈতিক আলোচনার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ইতিবাচক প্রভাবে বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে সোনার দাম। সোমবার স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম বেড়েছে প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। একই সঙ্গে মার্কিন ফিউচার বাজারেও সোনার দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য সোনা কেনা তুলনামূলকভাবে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সপ্তাহের শুরুতে স্বর্ণবাজার ইতিবাচক অবস্থানে থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকের খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম পাঁচ শতাংশের বেশি কমেছে, যা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার বাজারে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।
অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার নিয়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থানও বিনিয়োগকারীদের নজরে রয়েছে। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশিত হবে, যা ভবিষ্যতে সোনার দাম ও সুদের হারের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এদিকে সোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও বেড়েছে, যা মূল্যবান ধাতুর বাজারে সামগ্রিক ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স।